হেনরির আগুনে বোলিংয়ে ইংল্যান্ডকে উড়িয়ে সিরিজে সমতায় নিউজিল্যান্ড

ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড সিরিজ
ইসিবি
ইসিবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
দ্য ওভালে ইংল্যান্ডকে ঘুরে দাঁড়াতে দিল না নিউজিল্যান্ড। ৪৬৩ রানের অসম্ভব লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পঞ্চম দিনের সকালে মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ম্যাট হেনরির ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে ২৫৩ রানের বড় জয়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে নিউজিল্যান্ড। বল হাতে এ দিন হেনরি ছিলেন দুর্দান্ত। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আগের ১০টি টেস্টে কখনো পাঁচ উইকেট না পেলেও এবার দুই ইনিংস মিলিয়ে তুলে নিয়েছেন ১১ উইকেট।

শেষ ইনিংসে মাত্র ৬.১ ওভার বল করে ৫ উইকেট শিকার করেন তিনি। তার নিয়ন্ত্রিত ও নিখুঁত বোলিংয়ের সামনে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে গেছে। শেষ দিনে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল আরও ২৮১ রান, হাতে ছিল পাঁচ উইকেট। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ইংল্যান্ডের ভরসা ছিলেন জো রুট। আগের দিনের ৭৫ রানে অপরাজিত থাকা রুট সকালে মাত্র দুই রান যোগ করার পর হেনরির একটি ভেতরে ঢোকা বলে এলবিডব্লিউ হন।

রুটের বিদায়ের মধ্য দিয়ে কার্যত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যায়। এরপর দ্রুতই ভেঙে পড়ে ইংল্যান্ডের লোয়ার অর্ডার। আগের ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরি করা ম্যাট ফিশার এবার কোনো রান না করেই হেনরির শিকার হন। জফরা আর্চার দ্বিতীয় বলেই বোল্ড হন, আর জশ টাং প্রথম বলেই স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান।

এক প্রান্তে জর্ডান কক্স কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। কাইল জেমিসনের বলে একটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়ে হারের ব্যবধানই শুধু কমিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত তিনিও হেনরির ষষ্ঠ শিকার হন। তার সুইপ শটের চেষ্টায় বল গিয়ে আঘাত করে স্টাম্পে। এর আগে নিউজিল্যান্ড প্রথম ইনিংসে গ্লেন ফিলিপসের ১০১ ও টম ব্লান্ডেলের ৫১ রানে তোলে ৩৯১ রান।

জবাবে ইংল্যান্ড অলিভার গে'র ৫৩ ও ম্যাট ফিশারের অপরাজিত ৫০ রানে করে ২৯১ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে হেনরি নিকোলসের ১২১, রাচিন রবীন্দ্রর ৭৬ ও ড্যারিল মিচেলের ৬৮ রানে ৩৬২ রান তোলে সফরকারীরা, যা ইংল্যান্ডের সামনে পাহাড়সম লক্ষ্য দাঁড় করায়। এই ম্যাচ নিউজিল্যান্ড জেতায় শেষ ম্যাচটি কার্যত ফাইনালে রূপ নিয়েছে।

আরো পড়ুন: