মাসসেরার দৌড়ে ফারহানের সঙ্গে লড়াইয়ে জ্যাকস

প্লেয়ার অব দ্য মান্থ
আইসিসি
আইসিসি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি মাস জুড়েই ছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ব্যস্ততা। এই বিশ্ব আসরে পারফর্ম করে তিনজন ক্রিকেটার মাসসেরার মনোনয়ন পেয়েছেন। পাকিস্তানের শাহিবজাদা ফারহানের সঙ্গে আছেন ইংল্যান্ডের উইল জ্যাকস ও যুক্তরাষ্ট্রের শ্যাডলি ভ্যান শালকউইক।

এর মধ্যে ফারহান ছিলেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। তিনি ব্যাট হাতে দারুণ সময় কাটিয়েছেন এই বিশ্ব আসরে। ডানহাতি এই ওপেনার এক আসরে সর্বাধিক রানের রেকর্ড ভেঙে দেন, পেছনে ফেলেন ২০১৪ সালের আসরে বিরাট কোহলির করা ৩১৯ রানকে।

শেষ পর্যন্ত ফারহানের ঝুলিতে জমা হয় ৩৮৩ রান। তার স্ট্রাইক রেট ছিল ১৬০.২৫ এবং গড় ৭৬.৬০। এই মাইলফলকের পথে দুটি সেঞ্চুরিও করেন পাকিস্তানের এই ওপেনার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক আসরে কোনো ব্যাটারের দুই সেঞ্চুরি করার ঘটনা এটিই প্রথম। তার দুটি সেঞ্চুরি আসে নামিবিয়া ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

ফারহানের এই দুর্দান্ত ব্যাটিং পারফরম্যান্সেই পাকিস্তান সুপার এইটে জায়গা করে নেয়। তবে সেমি ফাইনালের টিকিট কাটতে পারেনি দলটি। এদিকে টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সেমিফাইনালে ওঠার পথে বড় অবদান ছিল উইল জ্যাকসের। ব্যাট ও বল দুই ক্ষেত্রেই কার্যকর ভূমিকা রাখেন তিনি।

জ্যাকস ইংল্যান্ডের হয়ে ১৭৩.২১ স্ট্রাইক রেটে করেন ১৯৪ রান। পাশাপাশি বল হাতে নেন ১১টি উইকেট, তার ইকোনমি রেট ছিল আটের সামান্য বেশি। তার এই অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের ফলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক আসরে চারবার প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ জেতা প্রথম ক্রিকেটার হন জ্যাকস।

মনোনয়ন পাওয়া আরেক ক্রিকেটার যুক্তরাষ্ট্রের শালকউইক। ডানহাতি এই পেসার আসরজুড়ে নেন ১৩টি উইকেট এবং টুর্নামেন্টের শীর্ষ উইকেটশিকারি হিসেবে বিশ্বকাপ শেষ করেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরু থেকেই ছন্দে ছিলেন ভ্যান শালকউইক। সহআয়োজক ভারতের বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ম্যাচেই তিনি নেন চার উইকেট। গ্রুপ পর্বে পাকিস্তানের বিপক্ষেও তিনি ৪ উইকেট নেন ২৫ রান দিয়ে।

আরো পড়ুন: