খবরের সত্যতা নিশ্চিত না হলেও বিতর্ক থামছে না। পুরো দলকে একযোগে এমন জরিমানার নজির বিরল। বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে কেউ কেউ উজ্জ্বল ছিলেন, সাহিবজাদা ফারহান রান ও সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন।
আরও দু-একজন ভালো খেলেছেন। দলীয় ব্যর্থতার দায়ে সবার ওপর সমান শাস্তি আরোপ কতটা যৌক্তিক, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের সামা টিভিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি।
তিনি বলেন, 'এরকম সিদ্ধান্তের কারণ বুঝে ওঠা কঠিন। এটা তো খুবই সংকীর্ণ মানসিকতার পরিচয়। খুবই ছোট পরিমাণের জরিমানা এটি। ৫০ লাখ রুপিতে আপনি কি করবেন? এটাকে তো এমনকি কোনো শাস্তিও মনে হচ্ছে না।'
আফ্রিদির মতে, আর্থিক জরিমানার চেয়ে ক্রিকেটীয় শাস্তিই বেশি কার্যকর হতে পারে। তার ভাষায়, 'যে ক্রিকেটাররা পারফর্ম করেনি, তাদেরকে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে পাঠিয়ে দিন। কিছু ক্রিকেটার আছে, আমার মনে হয়, অন্তত দুই বছর তাদেরকে জাতীয় দলে নেয়া উচিত নয়। যথেষ্ট হয়েছে।'
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে বড় ব্যবধানে হারে পাকিস্তান। সুপার এইটের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও পরাজিত হয় তারা। পরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় পেলেও রান রেটের সমীকরণ মেলাতে না পারায় সেমিফাইনালের দৌড় থেকে ছিটকে যায় দলটি।