যদিও ব্রিটিশ পাসপোর্ট পাওয়ার পর নিজ দেশেই নতুন এক জটিলতায় পড়েছেন এই বাঁহাতি পেসার। পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) তিনি কোন পরিচয়ে খেলবেন, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। সম্প্রতি আমির নিজেই জানিয়েছেন, আগামী মৌসুমে তিনি পিএসএলে বিদেশি ক্রিকেটার হিসেবে নাম নিবন্ধনের কথা ভাবছেন।
উইজডেনের ‘দ্য স্কুপ এক্সটেন্ডেড’ অনুষ্ঠানে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেছেন আমির। সবশেষ পিএসএলে তিনি খেলেছেন রাওয়ালপিন্ডির হয়ে। নিলাম থেকে ৫ কোটি ৪০ লাখ রুপিতে তাকে দলে নেয় টুর্নামেন্টের নবাগত এই ফ্র্যাঞ্চাইজি। এরপর দুই বছরের চুক্তিও করে তারা। তবে এখন আমির বিদেশি ক্রিকেটারের মর্যাদা পাওয়ায় আগামী মৌসুমে তাকে নিয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।
তাকে একাদশে খেলাতে হলে একজন বিদেশি ক্রিকেটারকে বাদ দিতে হবে। ফলে আমিরকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেয় রাওয়ালপিন্ডি, সেটিই এখন দেখার বিষয়। পাশাপাশি ব্রিটিশ পাসপোর্ট পাওয়ার পর আগের চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তাকে দলে রাখা যাবে কি না, সেটিও এখনও পরিষ্কার নয়।
পিএসএল ২০২৬ মৌসুমের নিয়ম অনুযায়ী, স্কোয়াডের আকারের ওপর নির্ভর করে প্রতিটি দল পাঁচ থেকে সাতজন বিদেশি ক্রিকেটার রাখতে পারত। এর মধ্যে একাদশে সর্বনিম্ন তিনজন এবং সর্বোচ্চ চারজন বিদেশি ক্রিকেটার খেলানোর সুযোগ ছিল। তাই আমিরের নতুন পরিচয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটির জন্য বাড়তি হিসাবের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ পর্যন্ত পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি। আমিরের পরিচয় পরিবর্তনের পরও রাওয়ালপিন্ডি তার আগের চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তাকে দলে রাখতে পারবে কি না, সে বিষয়েও বোর্ডের অবস্থান এখনও স্পষ্ট নয়। এদিকে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে, পিএসএল ২০২৭ হয়তো আমিরের শেষ মৌসুম হতে পারে।