ঘটনাটি ঘটে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ১৯২ রানের লক্ষ্য ডিফেন্ড করার সময়। নিজের চার ওভারের স্পেল শেষ করার পথে রানআপে এসে হঠাৎ থেমে যান তিনি। এরপর আবার বল করার চেষ্টা করলেও চোটের কারণে আর চালিয়ে যেতে পারেননি। মাঠ ছাড়তে হয় তাকে যন্ত্রণায় ভুগতে ভুগতে।
চোটটি বেশ গুরুতর ছিল। খলিলের পায়ের পেশিতে টান পড়েছে। অন্তত দশ থেকে বারো সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হবে। দল এখন তার বিকল্প খেলোয়াড় নিয়ে ভাবছে। স্কোয়াডে থাকা কয়েকজন প্রস্তুত আছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন স্পেন্সার জনসন এবং মুকেশ চৌধুরী।
মুকেশ চৌধুরী আগেও চেন্নাইয়ের হয়ে খেলেছেন এবং তিন মৌসুমে ১৬ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়েছেন। দলে তাকে আবার সুযোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানা গেছে।
খলিল আহমেদ চলতি মৌসুমে পাঁচ ম্যাচে অংশ নিয়ে দুইটি উইকেট নিয়েছিলেন। ১৫ উইকেট নিয়ে গত মৌসুমে তিনি দলের অন্যতম সফল বোলার ছিলেন। তার অনুপস্থিতি সত্ত্বেও কলকাতার বিপক্ষে ম্যাচে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখে চেন্নাই।
নুর আহমেদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে তারা ৩২ রানে জয় নিশ্চিত করে। চলতি মৌসুমে শুরুটা ভালো না হলেও টানা দুই জয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস। পয়েন্ট তালিকায় আটে আছে শুরুর তিন ম্যাচ টানা হেরে যাওয়া দলটি।