রবিবার রাতে অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচের পর বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। সংস্থাটি জানায়, ম্যাচ রেফারি রোশান মহানামার অধীনে হওয়া শৃঙ্খলা শুনানিতে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফখর জামান।
বোর্ডের বিবৃতিতে বলা হয়, 'শুনানিতে ফখর জামান তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আরেকটি শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।'
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে বলেও উল্লেখ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, গুরুতর অপরাধ প্রমাণিত হলে অন্তত এক ম্যাচের জন্য নিষেধাজ্ঞায় পড়তে পারেন এই ব্যাটার। এমনকি ২ ম্যাচের জন্যেও নিষেধাজ্ঞায় পড়তে পারেন তিনি। তাই পরবর্তী শুনানির সিদ্ধান্তের দিকে নজর রয়েছে সবার।
ঘটনাটি ঘটে করাচির ইনিংসের শেষ ওভারের আগে। জয়ের জন্য তখন তাদের প্রয়োজন ছিল ১৪ রান। সে সময় লাহোরের অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদি, ফখর জামান ও হারিস রউফ একত্র হন এবং বোলিং নিয়ে আলোচনা করতে থাকেন।
এ সময় ফখর জামানকে বলের উপর নখ দিয়ে আঁচড় কাটতে দেখা যায় বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নজরে আসার পর আম্পায়ার ফয়সাল আফ্রিদি বলটি পরীক্ষা করেন এবং পরে অন্য আম্পায়ার শরফুদ্দৌলার সঙ্গে আলোচনা করে বল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
একই সঙ্গে বল বিকৃতির অভিযোগে ফিল্ডিং দলকে পাঁচ রান জরিমানা করা হয়। এতে করাচির লক্ষ্য কমে আসে এবং শেষ পর্যন্ত তিন বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে তারা।
ম্যাচ শেষে লাহোর অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদি বলেন, 'আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। আমরা কথা বলব। আমরা এখন কিছু বলতে পারছি না। আম্পায়াররা কী বলেন, তা দেখব।'