২৫ কোটি রুপির চাপে ভেঙে পড়বেন না গ্রিন, বিশ্বাস ওয়াটসনের

আইপিএল
ক্যামেরন গ্রিন, ফাইল ফটো
ক্যামেরন গ্রিন, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
দুই বছর আগে ভেঙ্কটেশ আইয়ারকে ২৩.৭৫ কোটি টাকায় দলে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। কিন্তু সেই মৌসুমে প্রত্যাশার ধারেকাছেও যেতে পারেননি তিনি। ব্যাট হাতে ব্যর্থতার পাশাপাশি চাপ সামলাতেও হিমশিম খেতে হয়েছিল এই অলরাউন্ডারকে। ফলে বড় অঙ্কের দাম পাওয়ার পর পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।

এবার একই ধরনের পরিস্থিতিতে রয়েছেন ক্যামেরন গ্রিন। সাম্প্রতিক নিলামে তাকে ২৫.২০ কোটি রুপিতে দলে নিয়েছে কলকাতা। তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এই অস্ট্রেলিয়ানের ক্ষেত্রেও কি একই পরিণতি হতে চলেছে? সেই প্রশ্নেরই উত্তর দিয়েছেন দলের সহকারী কোচ শেন ওয়াটসন।

ওয়াটসন অবশ্য শুরুতেই সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন, 'অতীতে এমন অনেক ক্রিকেটারকে দেখেছি যারা প্রচুর অর্থ পেয়েছিল। তাদের অনেককে ভেঙে পড়তে দেখেছি। প্রত্যাশার চাপের কারণে তারা আসল মঞ্চে খেলতেই পারেনি। কিন্তু ক্যামেরন ও ভাবে বিষয়টাকে দেখে না।'

গ্রিনের মানসিকতা নিয়েই সবচেয়ে বেশি ভরসা রাখছেন ওয়াটসন, 'দু’বছর আগে মুম্বাই ওকে ভালো দামেই কিনেছিল। সে বার ভালোই খেলেছিল। গ্রিন জানে এই প্রতিযোগিতায় ওর হারানোর কিছু নেই। এই মানসিকতাই ওকে সাফল্য এনে দেবে।'

শুধু মানসিক দিকই নয়, প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও গ্রিন এগিয়ে রয়েছে বলেই মনে করেন ওয়াটসন, 'গত দুটো মৌসুমে ওর পারফরম্যান্স দেখলেই বোঝা যায় কতটা উন্নতি করেছে। গত কয়েক সপ্তাহে যেভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে, তাতে অর্থের বোঝা ওর উপর থাকবে বলে মনে হয় না। খুব খোলা মনে খেলছে এবং নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করছে।'

এদিকে চোটের কারণে দলের পেস বোলিং বিভাগ কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। হার্শিত রানা ও আকাশদীপের অনুপস্থিতিতে শূন্যতা তৈরি হয়েছে দলে। এই পরিস্থিতিতে শ্রীলঙ্কার মাথিশা পাথিরানাকে দ্রুত দলে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে কলকাতা শিবির।

ওয়াটসন এ প্রসঙ্গে বলেন, 'এখন অপেক্ষার সময় চলছে। শ্রীলঙ্কার বোর্ড আমাদের কিছু নির্দেশনা দিচ্ছে। আমরা যত দ্রুত সম্ভব পাথিরানাকে এখানে আনার চেষ্টা করছি। চিকিৎসকদের উপর আমাদের ভরসা রয়েছে এবং আমরাও চাই ও দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক। কোনও রকম তাড়াহুড়ো করতে চাই না।'

দলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়েও ইঙ্গিত দিয়েছেন কলকাতার সহকারী কোচ। তিনি জানিয়েছেন, এই মৌসুমে নতুন ভূমিকায় দেখা যেতে পারে অঙ্গকৃশ রঘুবংশীকে। বিশেষজ্ঞ উইকেটরক্ষকের অভাবের কারণে প্রয়োজনে তাকেই দায়িত্ব নিতে হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন: