নতুন আসরের শুরুতেই নিজের ছন্দের প্রমাণ দেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। ৩৮ বলে অপরাজিত ৬৯ রানের ইনিংসে ছিল সমান তালে চার ও ছক্কার মার। তার সঙ্গে দেবদূত পাড়িকাল ও রজত পাতিদারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দল সহজেই বড় লক্ষ্য পেরিয়ে যায়। প্রতিপক্ষের দেওয়া ২০১ রানের চ্যালেঞ্জ তারা হাতে বেশ কিছু বল রেখেই অতিক্রম করে।
ম্যাচ শেষে কোহলি বলেন, 'আপনি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের কথা বললেন, আমি শেষ যে ম্যাচটি খেলেছি, তা ছিল গত বছরের ফাইনাল। তবে সম্প্রতি ওয়ানডে সিরিজে যেভাবে ব্যাটিং করেছি, তা আমাকে একই ছন্দে থাকতে সাহায্য করেছে।'
তিনি আরও বলেন, 'আমি এমন কিছু করার চেষ্টা করিনি, যা আমার স্বাভাবিক খেলার বাইরে। নিজের খেলাতেই বিশ্বাস রেখেছি, আর সেটাই কাজে দিয়েছে।'
এই ম্যাচে একটি বিশেষ অর্জনও নিজের করে নেন কোহলি। রান তাড়ায় চার হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করা প্রথম ব্যাটার হিসেবে তিনি গড়েছেন নতুন ইতিহাস। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতাই তাকে এই উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
বিরতির সময়টাকে তিনি দেখেন প্রস্তুতির সুযোগ হিসেবে, '(বিরতির সময়) পর্দার আড়ালে ফিটনেস নিয়ে যথেষ্ট পরিশ্রম করেছি… । আজ রাতকে তাই সুযোগ ছিল ভালোভাবে শুরু করার এবং সেই ভিতকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যাওয়ার। যখনই খেলায় ফিরি, ১২০ ভাগ দিয়ে ফিরি। কখনোই অপ্রস্তুত হয়ে ফিরি না।'
তিনি আরও যোগ করেন, 'আসলে এই বাড়তি বিশ্রাম আমাকে মানসিকভাবে সতেজ হতে সাহায্য করে। যতক্ষণ শারীরিকভাবে ফিট এবং মানসিকভাবে চনমনে থাকা যায়, দুটি জিনিসই সুন্দরভাবে মিলে যায়। তখন দলের জন্য অবদান রাখা যায় এবং এটাই একজন ক্রিকেটারের কাম্য থাকে। শুধু দলে জায়গা ধরে রাখতে চাই না; পারফর্ম করে যেতে চাই এবং দলের জন্য পরিশ্রম করে যেতে চাই।'