এই ম্যাচে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। ৫ বলে আউট হয়েছেন ১ রান করে। ইমনকে মিডল অর্ডার থেকে ওপেনিংয়ে নামানোর ব্যাখ্যা দিয়েছেন সিলেট দলের প্রধান কোচ সোহেল ইসলাম। জানিয়েছেন নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ীই তার ব্যাটিংয়ের জায়গা পরিবর্তন করা হয়েছে। বিসিবির পক্ষ থেকে কোনো বার্তা দেয়া হয়নি তাদের।
নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে গুঁড়িয়ে দেয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে সিলেটের এই কোচ বলেছেন, 'আমি যখন চারে ব্যাটিং করিয়েছি তখনও আসলে ওই তথ্য আমাকে দেয়া হয় নাই। বা এখন ও ওপেনিংয়ে নামছে, তখন মনে হয়েছিল যে আমার কাছে ইমনকে চারে খেলানোর কারণ আপনারা জানেন যে মঈন আলী এসেছে।'
মঈন আলী, ইথান ব্রুকস ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই চলে আসায় মিডল অর্ডার নিয়ে আর ভাবতে হচ্ছে না সিলেটকে। এ কারণেই ইনফর্ম ইমনকে ওপেনিংয়ে পাঠানো হয়েছে বলে যুক্তি দিয়েছেন সোহেল। তিনি যোগ করেন, 'মিডল অর্ডারে আমার এখন যে বিদেশি প্লেয়াররা আছে তারা অনেক ভালো। কারণ ওমরজাই আছে নিচে, ইথান ব্রুকস আছে। আমার কাছে মনে হয়েছে যে ইমনকে ইমনের জায়গায় এখন আমরা যদি ব্যবহার করি তাহলে আমাদের কাছে ভালো হবে।'
ইমনের প্রশংসাও করেছেন সোহেল ইসলাম। তার ব্যাটিংয়ের বিশেষত্ব জানিয়ে সিলেটের কোচ বলেন, 'আসলে আমার কাছে মনে হয় যে আমরা ভাগ্যবান যে ইমন এমন একজন ব্যাটসম্যান যে সাধারণত ওপেনাররা যা করে—পাওয়ার প্লে-তে পাওয়ার প্লে-টা ব্যবহার করে, সার্কেলটা ব্যবহার করে। এরপর যখন খেলাটা বড় হয়ে যায় এবং ফিল্ডিং উন্মুক্ত হয়ে যায়, তখন দেখা যায় যে ওই ধরণের ব্যাটিং করলে অনেকে সফল হন না।'
তিনি আরও যোগ করেন, 'কারণ ওই সময় স্ট্রাইক রোটেট করতে হয়, খেলায় হিসেবি ঝুঁকি নিতে হয়। খেলাটার ধরণটাই আসলে আলাদা হয়ে যায়। ইমন এবার প্রমাণ করেছে যে সে পাওয়ার প্লে-তেও খেলতে পারে এবং পাওয়ার প্লে-র পরেও খেলাটা ডিপে নিয়ে যাওয়ার জন্য যেভাবে বা যে স্ট্রাইক রেটে খেলা উচিত, তার সেই সামর্থ্য আমরা এবার দেখতে পেয়েছি।'