মিঠুন ৮৯, অলিন ৯২, হাবিবুর সোহান ৭৫ ও সাব্বির ৭১

জাতীয় ক্রিকেট লিগ
ভিডিও থেকে নেওয়া
ভিডিও থেকে নেওয়া
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
জাতীয় ক্রিকেট লিগের নতুন মৌসুমে বল পরিবর্তনের পর ব্যাটারও রানের ফোয়ারা ছোটাচ্ছেন। যদিও প্রথম রাউন্ডের প্রথম দিনে সেঞ্চুরির দেখা মেলেনি কারও। সেঞ্চুরি করতে না পারার আক্ষেপে পুড়েছেন খুলনা বিভাগের মোহাম্মদ মিঠুন ও কালাম সিদ্দিকী অলিন। একই চিত্র রাজশাহী বিভাগের ক্ষেত্রেও। দুর্দান্ত শুরুর পরও হাবিবুর রহমান সোহান ৭৫ ও সাব্বির হোসেন আউট হয়েছেন ৭১ রানে। দুইটি ম্যাচেই দাপট দিয়েছেন ব্যাটাররা।

মিঠুন-অ্যালিনের সেঞ্চুরি মিসেও খুলনার দিন

খুলনা বিভাগী স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে খুলনাকে ভালো শুরুর আভাসই দিয়েছিলেন এনামুল হক বিজয়। তবে ইনিংসটা বড় করতে পারেননি ডানহাতি ওপেনার। রুয়েল মিয়ার শর্ট ডেলিভারিতে পুল করতে গিয়ে টপ হয়েছেন তিনি। ২৪ বলে ১৬ রান করে ক্যাচ দিয়েছেন তানভির ইসলামকে। আরেক ওপেনার আজিজুল হাকিম তামিমও একই পথে হেঁটেছেন। ৫৫ বলে ৩১ রান করে বোল্ড হয়েছেন শহিদুল ইসলামের বলে।

৫৯ রানে ২ উইকেট হারানোর পর খুলনার হাল ধরেন মিঠুন ও অলিন। দুজনে মিলে ১৬০ রানের জুটি গড়েছেন। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরির পথেই হাঁটছিলেন ৭৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি করা মিঠুন। তবে খুলনার অধিনায়ককে তিন অঙ্ক ছুঁতে দেননি রুয়েল। বাঁহাতি পেসারের স্লোয়ার ডেলিভারিতে পুল করতে গিয়ে মিড উইকেট ক্যাচ দিয়েছেন শহিদুলকে। ১২ চারে ১২৬ বলে ৮৯ রানের ইনিংস খেলেছেন মিঠুন। খুলনার অধিনায়কের মতো সেঞ্চুরি মিস করেছেন অলিনও।

ইফতেখার হোসেন ইফতির গুড লেংথ ডেলিভারিতে বোল্ড হয়েছেন ডানহাতি এই ব্যাটার। ৬ চারে ১৬৮ বলে ৯২ রানের ইনিংস খেলেছেন অ্যালিন। আক্রমণাত্বক ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান তুললেও ৫৪ বলে ৪৭ রানে থামতে হয়েছে নুরুল হাসান সোহানকে। ৪৪ রান করা আফিফ হোসেনের সঙ্গে দিনের বাকিটা সময় কাটিয়ে দিয়েছেন সামিউন বশির রাতুল। প্রথম দিন শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩২৮ রান তুলেছে খুলনা। বরিশালের তিনটি উইকেট নিয়েছেন রুয়েল।

সোহান-সাব্বিরের সেঞ্চুরি মিস, শেষ বিকেলে চট্টগ্রামের স্বস্তি

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা রাজশাহী বিভাগের শুরুটা হলো মনে রাখার মতো। দুই প্রান্ত থেকেই দ্রুত গতিতে রান তুলছিলেন হাবিবুর সোহান ও সাব্বির। তাদের দুজনের ব্যাটে প্রথম ঘণ্টা অনায়াসে কাটিয়েছে রাজশাহী। শতরানের জুটির পর দলকে টেনে তুলছিলেন তারা দুজন। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে হাবিবুরের সঙ্গে হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন সাব্বিরও।

৬৩ বলে সাব্বির ও ৬৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেছেন হাবিবুর। তাদের দুজনের জমে ওঠা জুটি ভাঙে ইনিংসের ২৯তম ওভারে। মোহাম্মদ ইরফানের দারুণ এক ডেলিভারিতে সোজা ব্যাটে খেলার চেষ্টায় বোল্ড হয়েছেন সাব্বির। ৯ চারও ২ ছক্কায় ৯৬ বলে ৭১ রান করেছেন রাজশাহীর ওপেনার। সাব্বিরের মতো সেঞ্চুরি মিস করেছেন হাবিবুরও। হাসান মুরাদের ঝুলিয়ে দেওয়া ডেলিভারিতে বড় শট খেলতে চেয়েছিলেন তিনি।

যদিও পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয়েছে ৮ চার ও ২ ছক্কায় ১১২ বলে ৭৫ রানের ইনিংস খেলা ডানহাতি ওপেনারকে। তিনে নেমে নাঈম আহমেদ খেলেছেন ৪৫ রানের ইনিংস। ভালো শুরু পেলেও সাব্বির রহমান ৩৫ রানের বেশি করতে পারেননি। অধিনায়ক প্রিতম কুমার আউট হয়েছেন ১০ রানে। ইনিংস বড় করতে পারেননি এসএম মেহেরবও। শেষ বিকেলে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে ৬ উইকেটে ২৯০ রান তুলেছে রাজশাহী। চট্টগ্রামের হয়ে দুইটি করে উইকেট নিয়েছেন মুরাদ ও এনামুল হক আশিক।

আরো পড়ুন: