গত জুলাইয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর এটাই অস্ট্রেলিয়া নারী দলের প্রথম সিরিজ। বাংলাদেশ সিরিজ শেষ করে একই দল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে। ১৮ অক্টোবর সিডনিতে শুরু হবে সেই সিরিজ।
দুই সিরিজের জন্যই অধিনায়ক করা হয়েছে বিশ্বকাপজয়ী সোফি মোলিনুকে। তবে হিপের চোট থেকে সেরে ওঠায় বাংলাদেশের বিপক্ষে তাকে খেলানোর ব্যাপারে সতর্ক অস্ট্রেলিয়া।
জাতীয় নির্বাচক শন ফ্লেগলার বলেন, 'আসলে দা হান্ড্রেড থেকে ফেরার পরপরই সে নিতম্বে চোট পায়। ক্রিকেট ভিক্টোরিয়ার অনুশীলনে সে যোগ দেয় এবং প্রাথমিকভাবে এটিকে বেশ নিরীহ চোট বলেই মনে হয়েছিল। তবে সত্যি বলতে, যতটা দ্রুত আমরা আমরা করেছিলাম, দুর্ভাগ্যবশত চোটটি ততটা দ্রুত সারেনি। এরপর যদিও হুট করে কিছুটা ভালো হয়ে উঠেছে, কিন্তু তার পরও আমার মনে হয়, ওয়ানডে সিরিজের জন্য তার সময়টা খুবই আঁটসাঁট।'
'টি-টোয়েন্টি ম্যাচগুলোর জন্য সে ঠিক হয়ে যাবে। তবে ওই সিরিজ চলাকালীন আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে থাকব। কিন্তু আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি যে, দুর্ভাগ্যবশত সে বাংলাদেশের বিপক্ষে কোনো খেলবে না।'
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে থাকছেন না অস্ট্রেলিয়ার দুই পেসার লুসি হ্যামিল্টন ও ডার্সি ব্রাউন। কোয়াডের চোটে ভুগছেন হ্যামিল্টন। আর পিঠের চোটের কারণে দলে জায়গা হয়নি ব্রাউনের। তবে ফিবি লিচফিল্ড ও বেথ মুনিকে রাখা হয়েছে ১৪ সদস্যের দলে।
বাংলাদেশ সিরিজকে আগামী বছরের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রস্তুতির অংশ হিসেবেও দেখছেন অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচক শাউন ফ্লেগলার। তিনি বলেন, 'বাংলাদেশ খুব ভালো পরীক্ষা হবে, বিশেষ করে তাদের বোলিং আক্রমণের কারণে। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভারতের কন্ডিশনের কথা মাথায় রেখে আমাদের ব্যাটারদের উপমহাদেশীয় ধরনের বোলিংয়ের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জনেরও দারুণ সুযোগ এটি।'
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ শেষ হওয়ার পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে মোলিনুর ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার আশা, চোট কাটিয়ে ওই সিরিজে তাকে পাওয়া যাবে।
অস্ট্রেলিয়া নারী স্কোয়াড- সোফি মোলিনু (অধিনায়ক), নিকোলা ক্যারি, অ্যাশলেই গার্ডনার, কিম গার্থ, লুসি হ্যামিল্টন, অ্যালানা কিং, ফিবি লিচফিল্ড, তাহলিয়া ম্যাকগ্রা, বেথ মুনি, এলিস পেরি, মেগান শুট, অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড, জর্জিয়া ভল ও জর্জিয়া ওয়ারেহাম।