সাউথ আফ্রিকায় ইনিংস ও ৪১৩ রানে হারলেন নাইম-জয়-আফিফরা

বাংলাদেশ ‘এ’ দলের সাউথ আফ্রিকা সফর
সাউথ আফ্রিকার এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে নেওয়া
সাউথ আফ্রিকার এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে নেওয়া
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
জাতীয় দলের হয়ে টেস্ট খেলা সাত ক্রিকেটার আছেন সাউথ আফ্রিকা সফরের বাংলাদেশ ‘এ’ দলে। তবে মাঠের ক্রিকেটের সেই অভিজ্ঞতার ছাপ রাখতে পারলেন না জাকির হাসান, মাহমুদুল হাসান জয়, শাহাদাত হোসেন দিপুরা। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১২২ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ হয়েছেন নাইম শেখ-আফিফ হোসেনরা। সাউথ আফ্রিকা ‘এ’ দলের রান পাহাড়ের চাপে দ্বিতীয় ইনিংসে সফরকারীরা অল আউট হয়েছে ১১০ রানে। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় প্রথম চার দিনের ম্যাচে ইনিংস ও ৪০০ রানে হেরেছে বাংলাদেশ।

প্রিটোরিয়ায় সাউথ আফ্রিকা ‘এ’ দলের চেয়ে ৫০০ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থ হয়েছেন জয়। শেপো মোরেকির অফ স্টাম্পের বাইরে পড়ে ভেতরে ঢোকা ডেলিভারিতে বোল্ড হয়েছেন ডানহাতি এই ওপেনার। ৬ বলে এক রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। দিপুও ব্যাট হাতে কিছু করে দেখাতে পারেননি।

কোডি ইউসুফের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে লেগ বিফোর উইকেট হয়েছেন রানের খাতা খুলতে না পার দিপু। প্রথম ইনিংসের মতো এবারও ব্যর্থ হয়েছেন জাকির। মোরেকির শর্ট ডেলিভারিতে গ্ল্যান্স করতে গিয়ে শর্ট লেগে ক্যাচ দিয়েছেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। ১১ বল খেলা জাকির করেছেন ৮ রান। দ্রুতই তিন উইকেট হারানোর পর আফিফ ও নাইম মিলে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন।

যদিও তাদের দুজনের জুটি বড় হয়নি। ইউসুফের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে আউট সাইড এজে আফিফ ক্যাচ দিয়েছেন দ্বিতীয় স্লিপে। ২৮ বল খেলা বাঁহাতি ব্যাটার আউট হয়েছেন ৬ রানে। পঞ্চাশের আগে ৪ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি সফরকারীরা। ইউসুফের শর্ট ডেলিভারিতে পুল করতে চেয়েছিলেন নাইম। তবে ঠিকঠাক শট খেলতে পারেননি তিনি।

উইকেটকিপারকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৫৬ বলে ৩০ রান করা নাইম। পেসর ডেলানো পোটজিটারের বলে লেগ সাইডে উইকেটকিপার ক্যাচ দেন ৪২ বলে ১৮ রান করা মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। শেষের দিকে আর কেউই দাঁড়াতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১১২ রানে অল আউট হয়েছে বাংলাদেশ। সাউথ আফ্রিকার হয়ে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন ইউসুফ, পোটজিটার ও মোরেকি।

আরো পড়ুন: