২০২৩ সালে নাজমুল হোসেন শান্ত অধিনায়কের দায়িত্ব গ্রহণের পর বেশ কিছু স্মরণীয় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। শান্তর অধীনেই পাকিস্তানকে তাদের মাটিতে এবং ঘরের মাঠে হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডকে টেস্টে হারানোতেও বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন শান্ত। কিন্তু সব ছাপিয়ে অজিদের তাদের মাটিতে টেস্টে হারানোকেই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয় মানছেন শান্ত।
সংবাদ সম্মেলনে শান্ত বলেন, 'বাংলাদেশ ক্রিকেটের সব ফরম্যাট মিলে আমাদের অনেক বড় বড় জয় আছে। কিন্তু আমি বলবো, এখন পর্যন্ত এটা বাংলাদেশের ইতিহাসের সবথেকে বড় জয়।'
এই জয়ের ফলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৫ ম্যাচে তিন জয় নিয়ে নিজেদের অবস্থান আরো সুসংহত করেছে বাংলাদেশ। ৪ নম্বরে থাকা টাইগাররা মাত্র ৫.৫৫ শতাংশ পয়েন্টে পিছিয়ে আছে তৃতীয় স্থানে থাকা নিউজিল্যান্ডের থেকে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২য় টেস্টের পর সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে আসন্ন সিরিজে ভালো করতে পারলে সুযোগ থাকবে প্রথমবারের মতো টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার। তবে, এখনই এতদূরে কথা ভাবতে রাজি নন শান্ত।
এ প্রসঙ্গে শান্ত বলেন, 'আপনি যদি পয়েন্ট তালিকা দেখেন অবশ্যই আমাদের সুযোগ আছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলার। কিন্তু আমি অধিনায়ক হয়ে একটা কথা বলি সবসময় ড্রেসিংরুমে যে খুব বেশি দূরে চিন্তা না করি।'
এমন জয়ের কৃতিত্ব দলের সবাইকে ভাগ করে দিতে চান শান্ত। নিজেদের পরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়ন হওয়ায় এবং সবাই নিজের দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করাতেই অস্ট্রেলিয়ার মতো প্রতিপক্ষকে হারাতে পেরেছেন বলে মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
শান্ত বলেন, 'আমার কাছে ম্যাচসেরা পুরো বাংলাদেশ দল। কারণ সবাই কোনো না কোনো জায়গায় অবদান রেখেছে। খুবই ভালো ক্রিকেট খেলেছি আমরা। অবশ্যই পাঁচ দিন ক্রিকেট পরিকল্পনা ছিল এবং প্রত্যেকটা সেশন আমরা কত ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি সেভাবেই পরিকল্পনা করেছি।
শান্ত যোগ করেন, 'সাদমানের ওই প্রথম ইনিংসের ২০টা রানও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা যেভাবে ব্যাটিং করেছে—হাসান, তাইজুল, তাসকিন এমনকি এবাদত- অবদানটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল দলের জন্যে, যেটা আমরা খুব বেশি করতে পারি না। আমরা প্রথম দিন থেকে মাঠে প্রভাব বিস্তার করেছি এটা অবশ্যই গর্বের একটা ব্যাপার। সবাই যেভাবে পরিশ্রম করেছে এবং যার যে ভূমিকা ছিল সবাই যেভাবে ওইটা পালন করেছে ওটারই ফল আমরা পেয়েছি।