এর সঙ্গে যদিও একমত নন বাংলাদেশ দলের সাবেক পেস বোলিং কোচ শন টেইট। তিনি পাক প্যাশনের সঙ্গে আলাপকালে জানিয়েছেন বাংলাদেশের পেসারদের উঠে আসার পেছনে স্থানীয় কোচদের অবদানই সবচেয়ে বেশি। সেই সঙ্গে কৃতিত্ব দিয়েছেন ওটিস গিবসন ও অ্যালান ডোনাল্ডকেও। যারা বাংলাদেশের এক সময়ের পেস বোলিং কোচ ছিলেন।
টেইট বলেন, 'আমার মনে হয়, একটা সময় এমন আসে যখন একঝাঁক খেলোয়াড় একসঙ্গে উঠে আসে। এর জন্য বাংলাদেশের স্থানীয় কোচদের অবশ্যই অনেক কৃতিত্ব দিতে হবে। তবে বিষয়টি শুধু কোচদের নয়, বাংলাদেশের পুরো ক্রিকেট কাঠামোরও। সব সময় বিদেশি কোচদেরই কৃতিত্ব দেওয়া যায় না, যদিও ওটিস গিবসন, অ্যালান ডোনাল্ডসহ আরও কয়েকজন বাংলাদেশের পেসারদের নিয়ে কাজ করেছেন।'
নাহিদ রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে উঠে এসেছেন। বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের প্রচলিত সিঁড়ি না মাড়িয়ে ২১ বছর বয়সে তার সরাসরি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে (রাজশাহী বিভাগ) অভিষেক হয়। সেখান থেকেই বিসিবির নজরে চলে আসেন নাহিদ। এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। টেইট মনে করেন স্থানীয় কোচদের কেউ নাহিদকে এগিয়ে না দিলে এই পর্যায়ে আসতে পারতেন না তিনি।
টেইট যোগ করেন, 'নাহিদ রানা রাজশাহীর কাছের একটি গ্রামের ছেলে। তাই অবশ্যই কেউ তাকে দেখেছেন, কেউ তাকে এগিয়ে দিয়েছেন। সব সময় বিদেশিরাই সবকিছু করেন, এমন নয়। বাংলাদেশের বোলারদের বিকাশ ও উন্নতিতে দারুণ কিছু কোচের অবদান অবশ্যই আছে। তবে আমার মনে হয়, ঠিক সময়ে খুব ভালো একটি প্রজন্ম উঠে এসেছে।'