নাহিদের মতো পেসার উঠে আসায়, স্থানীয় কোচদের কৃতিত্ব দিলেন টেইট

বাংলাদেশ ক্রিকেট
শন টেইট, শরিফুল ইসলাম এবং নাহিদ রানা
শন টেইট, শরিফুল ইসলাম এবং নাহিদ রানা
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
যদিও সবচেয়ে বেশি আলো কেড়ে নিয়েছেন নাহিদ রানা। এই পেসার নিয়মিতই প্রতিপক্ষকে ধসিয়ে দিচ্ছেন গতির ঝড় তুলে। বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে নামার আগে নাহিদকে নিয়ে আলাদা পরিকল্পনা করে নামে প্রতিপক্ষ। অনেকেই মনে করেন জাতীয় দলের কোচরাই বাংলাদেশের এই পেস বিপ্লবের নেপথ্যে রয়েছেন।

এর সঙ্গে যদিও একমত নন বাংলাদেশ দলের সাবেক পেস বোলিং কোচ শন টেইট। তিনি পাক প্যাশনের সঙ্গে আলাপকালে জানিয়েছেন বাংলাদেশের পেসারদের উঠে আসার পেছনে স্থানীয় কোচদের অবদানই সবচেয়ে বেশি। সেই সঙ্গে কৃতিত্ব দিয়েছেন ওটিস গিবসন ও অ্যালান ডোনাল্ডকেও। যারা বাংলাদেশের এক সময়ের পেস বোলিং কোচ ছিলেন।

টেইট বলেন, 'আমার মনে হয়, একটা সময় এমন আসে যখন একঝাঁক খেলোয়াড় একসঙ্গে উঠে আসে। এর জন্য বাংলাদেশের স্থানীয় কোচদের অবশ্যই অনেক কৃতিত্ব দিতে হবে। তবে বিষয়টি শুধু কোচদের নয়, বাংলাদেশের পুরো ক্রিকেট কাঠামোরও। সব সময় বিদেশি কোচদেরই কৃতিত্ব দেওয়া যায় না, যদিও ওটিস গিবসন, অ্যালান ডোনাল্ডসহ আরও কয়েকজন বাংলাদেশের পেসারদের নিয়ে কাজ করেছেন।'

নাহিদ রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে উঠে এসেছেন। বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের প্রচলিত সিঁড়ি না মাড়িয়ে ২১ বছর বয়সে তার সরাসরি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে (রাজশাহী বিভাগ) অভিষেক হয়। সেখান থেকেই বিসিবির নজরে চলে আসেন নাহিদ। এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। টেইট মনে করেন স্থানীয় কোচদের কেউ নাহিদকে এগিয়ে না দিলে এই পর্যায়ে আসতে পারতেন না তিনি।

টেইট যোগ করেন, 'নাহিদ রানা রাজশাহীর কাছের একটি গ্রামের ছেলে। তাই অবশ্যই কেউ তাকে দেখেছেন, কেউ তাকে এগিয়ে দিয়েছেন। সব সময় বিদেশিরাই সবকিছু করেন, এমন নয়। বাংলাদেশের বোলারদের বিকাশ ও উন্নতিতে দারুণ কিছু কোচের অবদান অবশ্যই আছে। তবে আমার মনে হয়, ঠিক সময়ে খুব ভালো একটি প্রজন্ম উঠে এসেছে।'

আরো পড়ুন: