৩২ বছর বয়সী এই বাঁহাতি ব্যাটার বিশ্বকাপে ৫ ম্যাচে ২৩৮ রান করেন। তার গড় ছিল ৪৭.৬০ এবং স্ট্রাইক রেট ১৪২.৫১। ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৯ বলে ৬৪ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলে অস্ট্রেলিয়ার সপ্তম শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেমিফাইনালেও ৩৬ বলে অপরাজিত ৬১ রান করেছিলেন মুনি। বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফরম্যান্সের সুবাদে ৭৮৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠে এসেছেন তিনি। তার সতীর্থ ও ওপেনিং সঙ্গী জর্জিয়া ভল এক ধাপ পিছিয়ে ৭৭৯ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে নেমে গেছেন দ্বিতীয় স্থানে।
ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ পাঁচে অপরিবর্তিত আছেন সাউথ আফ্রিকার লরা উলভার্ট (তৃতীয়), ওয়েস্ট ইন্ডিজের হেইলি ম্যাথিউজ (চতুর্থ) এবং ভারতের স্মৃতি মান্ধানা (পঞ্চম)। বিশ্বকাপ শেষে ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়ে বড় উন্নতি হয়েছে সাউথ আফ্রিকার তাজমিন ব্রিটস ও ইংল্যান্ডের ন্যাট সিভার-ব্রান্টের।
ব্রিটস তিন ধাপ এগিয়ে ১১তম এবং সিভার-ব্রান্ট পাঁচ ধাপ এগিয়ে ১৬তম স্থানে উঠে এসেছেন। চোট কাটিয়ে ফিরে বিশ্বকাপে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ৭৫ এবং ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অপরাজিত ৫৮ রানের ইনিংস খেলেছিলেন সিভার-ব্রান্ট। বোলিং র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ভারতের বাঁহাতি স্পিনার শ্রী চারণী।
বিশ্বকাপে ৫ ম্যাচে ১৪ উইকেট নিয়ে তিনি টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হন এবং জায়গা করে নেন টুর্নামেন্টের সেরা একাদশেও। বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে এখনও আধিপত্য ইংল্যান্ডের। শীর্ষ সাতের মধ্যে চারজনই ইংলিশ বোলার। সোফি একলেস্টোন এক ধাপ এগিয়ে দ্বিতীয়, চার্লি ডিন এক ধাপ নেমে তৃতীয়, লরেন বেল পঞ্চম এবং লিনসি স্মিথ সপ্তম স্থানে রয়েছেন।
বিশ্বকাপে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের সুবাদে দক্ষিণ আফ্রিকার মারিজান ক্যাপ চার ধাপ এগিয়ে প্রথমবারের মতো শীর্ষ দশে জায়গা করে নিয়েছেন। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার পেসার কিম গার্থ ১৫তম স্থানে উঠে এসেছেন। অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে বড় অগ্রগতি হয়েছে ইংল্যান্ডের ফ্রেয়া কেম্পের। বিশ্বকাপে ব্যাট ও বল দুই বিভাগেই অবদান রেখে তিনি ৩১ ধাপ এগিয়ে ২৭তম স্থানে পৌঁছেছেন। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার অ্যাশ গার্ডনার এক ধাপ এগিয়ে ষষ্ঠ স্থানে উঠে এসেছেন, আর পাকিস্তানের ফাতিমা সানা নেমে গেছেন সপ্তম স্থানে।