বল হাতে টেস্ট ক্রিকেটে সময়টা বেশ ভালো যাচ্ছে এনগারাভার। জিম্বাবুয়ের জার্সিতে এখনো পর্যন্ত ১১ টেস্টে ২৫ উইকেট নিয়েছেন বাঁহাতি এই পেসার। খুব বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ না হওয়ায় পরিসংখ্যানটা ভারী করতে পারেন না তিনি। পাঁচ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারে হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে চার ম্যাচ খেলেছেন এনগারাভা। যেখানে উইকেট নিয়েছেন ১০টি।
সবশেষ ম্যাচেই আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৬৫ রানে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি আছে তার। বাংলাদেশের বিপক্ষেও একই মাঠে টেস্ট খেলবে স্বাগতিকরা। স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি আত্মবিশ্বাস পাওয়ার কথা বাঁহাতি এই পেসার। তবে অতীত নিয়ে পড়ে থাকতে চান না তিনি। বরং বর্তমানকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যত নিয়ে ভাবতে চান জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক। পাশাপাশি লম্বা সময় দেশের মাটিতে টেস্ট খেলার সুযোগ পাওয়া খুশি তিনি।
এ প্রসঙ্গে এনগারাভা বলেন, ‘নিজের দেশে খেলা সবসময়ই দারুণ ব্যাপার। মাঠে নামতে পারাটা দারুণ হবে। আশা করি দেশের জন্য আরও অনেক বেশি উইকেট নিতে পারব। শুধু আমার ক্ষেত্রে নয় পুরো দলের অন্যরা যদি অবদান রাখতে পারে, কেউ পাঁচ উইকেট নিতে পারে কিংবা যত বেশি সম্ভব রান করতে পারে সেটাই বোধহয় সবচেয়ে বেশি ভালো হবে। আগের ম্যাচটা আমার কাছে অতীত। আমরা সবসময় বর্তমানে থাকতে ভালোবাসি এবং ভবিষ্যতের দিকে তাকাই। আমাদের সামনে যে সুযোগই আসুক না কেন আমরা আধিপত্য বিস্তার করতে চাইব।’
হারারেতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে জয়ের সুখস্মৃতি আছে জিম্বাবুয়ের। পাশাপাশি বাংলাদেশ সফরে একটি টেস্টও জিতেছে তারা। স্বাভাবিকভাবেই স্বাগতিক ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে থাকার কথা। তবে এসব নিয়ে একদমই ভাবছেন না এনগারাভা। বরং জিম্বাবুয়ের টেস্ট অধিনায়ক মনোযোগ দিচ্ছেন নির্দিষ্ট ওই দিনে এবং নিজেদের ইতিবাচক মানসিকতায়।
এনগারাভা বলেন, ‘অনেক সময় ক্রিকেটে কী হতে যাচ্ছে এটা আপনি আগে থেকে বলতে পারবেন না, জানাও সম্ভব না। তবে মাঠে নামার সময় আপনি যেটাকে সঙ্গী হিসেবে নিতে পারেন সেটা হলো মানসিকতা। দল হিসেবে আমরা ইতিবাচক মানসিকতায় আছি এবং দল হিসেবে খেলতে চাইছি। আমরা আগে থেকেই বেশি কিছু ভাবছি না। কারণ নির্দিষ্ট ওই দিনে কী লেখা আছে সেটা কেউই জানে না। আমরা যখন মাঠে নামব তখন আমাদের মানসিকতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে।’