এমনকি সেখানে তিনি সাবেক বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বর্তমান বিসিবি বোর্ডের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বলেও জানানো হয়েছে। তবে এমন খবর উড়িয়েছে দিয়েছেন সাবেক এই বিসিবি সভাপতি। তিনি এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন এই তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যে।
তিনি ভিডিওতে বলেন, 'একটা খবর দেখলাম যে, আমি নাকি আইসিসিকে অনুরোধ করেছি যে বাংলাদেশের ফান্ডিং বন্ধ করে দেওয়ার জন্য। সেটা কখনোই সম্ভব না এবং সেটা আমার দ্বারা কখনো হয়নি, ঘটেনি। এটা সম্পূর্ণ একটা মিথ্যে কথা এবং এই যে সিন্ডিকেটটা যে কাজটা করছে, আমি যখন কাজ করতাম বাংলাদেশে তখন আমাকে প্রত্যেকদিন তারা ডিস্টার্ব করত।'
তিনি আরও দাবি করেছেন যে সিন্ডিকেট এই সংবাদ ছড়িয়েছে তারা আরও আগে থেকেই তার পেছনে লেগে আছে। বিশেষ করে যখন তিনি বোর্ড সভাপতি ছিলেন। তার বাংলাদেশ ছেড়ে অস্ট্রেলিয়ায় চলে যাওয়া নিয়ে তখন থেকেই বিভিন্ন ভিত্তিহীন খবর ছড়ানো হতো। এর আগেও এসব নিয়ে বিভিন্ন সময় কথা বলেছেন বুলবুল।
এই বিষয়ে বুলবুল বলেন, 'প্রত্যেকটা মিথ্যে কথা তারা প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করত, কিন্তু তারা সবসময় ব্যর্থ হয়েছে, এবারও ব্যর্থ হবে। আমি একটা উদাহরণ দিতে পারি, যখন আমি বাংলাদেশে ছিলাম প্রত্যেকদিন অনেক মিথ্যে কথার মধ্যে একটা মিথ্যে কথা ছিল, আমাকে প্রত্যেকদিনই দেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া পাঠিয়ে দিত, বিদেশে পাঠিয়ে দিত। পরবর্তীতে তারা মিথ্যে প্রমাণিত হয়েছিল।'
তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন আইসিসির কাছে এমন কোনো অনুরোধ তিনি করেননি। বাংলাদেশের ক্ষতি হোক এমন কিছু তিনি করবেন না বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি। বুলবুল যোগ করেন, 'এটাও আরেকটা মিথ্যে, কেননা আইসিসির কাছে আমি কখনো কোনো রিকোয়েস্ট এমন কিছু রিকোয়েস্ট করব না যাতে বাংলাদেশের কোনো ক্ষতি হোক। আর আমার কথা আইসিসি কেন শুনবে? আইসিসির সাথে সেই অ্যাক্সেসটা আমার নেই এখন।'
গত বছরের অক্টোবরের বিসিবি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর তদন্ত করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) ৭ এপ্রিল বুলবুলের নেতৃত্বাধীন কমিটিকে বাতিল করে দেয়। ওই নির্বাচনে বুলবুল সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর তামিম ইকবালের নেতৃত্বে অ্যাডহক কমিটিকে বিসিবির দায়িত্ব দেয়া হয়। সেই কমিটি ৭ জুন নির্বাচন আয়োজন করে। সেই নির্বাচনে চার বছরের জন্য সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন তামিম।