মেশিনেরও ক্ষয় হয়, নাহিদের সঙ্গে গতির তুলনার প্রশ্নে শাহীন আফ্রিদি

পাকিস্তান ক্রিকেট
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
একটা সময় পাকিস্তানের পেসাররা গতির ঝড় তুলতেন। শাহীন আফ্রিদিও ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে গতি, সুইংয়ে প্রতিপক্ষকে নাস্তানাবুদ করছেন। অথচ বাঁহাতি এই পেসার কালেভদ্রে প্রতি ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার কিংবা তার চেয়ে বেশি গতিতে বোলিং করছেন। গতির এত অবনতির ব্যাখ্যায় শাহীন আফ্রিদি জানালেন, মেশিনেরও একটা সময় ক্ষয়, কার্যক্ষমতা কমে।

ওয়াকার ইউনিস, রমিজ রাজারা কয়েক বছর ধরেই পাকিস্তানের পেসারদের গতি বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। তবে তাদের কথা কেউই খুব বেশি কানে নেয়নি। সবশেষ বাংলাদেশ সফরে শাহীন আফ্রিদির সঙ্গে খেলেছেন হাসান আলী, খুররম শাহজাদ ও মোহাম্মদ আব্বাস। তাদের কেউই গতি দিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটারদের কাবু করতে পারেননি।

একই উইকেটে গতির ঝলক দেখিয়েছেন নাহিদ রানা। কোনো কোনো স্পেলের বেশিরভাগ ডেলিভারিই করেছেন ১৪৫ কিলোমিটারের বেশি গতিতে। প্রায়শই ছুঁয়েছেন ১৫০ কি.মি. গতিও। বাংলাদেশের পেসারের এমন গতি দেখে শাহীন আফ্রিদিদের নিয়ে আফসোস করছেন পাকিস্তানিরা। অস্ট্রেলিয়া সিরিজ শুরুর আগেও তাই নাহিদ উঠে এলো প্রেস কনফারেন্সে।

পাকিস্তানের পেসারদের গতি কমে যাওয়ার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে শাহীন আফ্রিদি বলেন, ‘প্রথমত, বাংলাদেশের ফাস্ট বোলার (নাহিদ) রানা হয়ত ৭ থেকে ৮ টা টেস্ট খেলেছে। এটা খুবই স্বাভাবিক যে সময়ের সাথে সাথে একটা মেশিনেরও ক্ষয় হয়, কার্যক্ষমতা কমে। শরীর যখন পুরোপুরি বিশ্রাম পায় তখন গতি বাড়ানো সম্ভব হয়।’

‘কিন্তু আমাদের শরীর তো সবসময় পাকিস্তানের জন্য প্রস্তুত থাকে। সব বোলারই এখন চিন্তা করছে কীভাবে তাদের গতি বাড়ানো যায়। আমাদের কয়েকজন বোলার এখন টেস্ট খেলছে, আবার অনেকে ওয়ানডে খেলছে যাতে তারা সতেজ থাকতে পারে। কোচ ও এনসিএ কীভাবে তাদের ওয়ার্কলোড সামলানো যায় এসব নিয়ে কাজ করছে।’

কদিন আগেই বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ হেরেছে পাকিস্তান। চলতি মাসে হোয়াইটওয়াশ হতে হয়েছে টেস্ট সিরিজেও। ঘরের মাঠে এবার পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া। বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবেন শাহীন আফ্রিদিরা।

আরো পড়ুন: