‘চেরি’ ব্র্যান্ডের গাড়ি পাবেন অস্ট্রেলিয়া সিরিজের সেরা বাংলাদেশি খেলোয়াড়

বাংলাদেশ ক্রিকেট
চেরি ব্র্যান্ডের সাথে বিসিবির চুক্তি স্বাক্ষর, ক্রিকফ্রেঞ্জি
চেরি ব্র্যান্ডের সাথে বিসিবির চুক্তি স্বাক্ষর, ক্রিকফ্রেঞ্জি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
‎বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) শুরুর দিকে টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়কে গাড়ি উপহার দেবার প্রচলন ছিল। কালক্রমে সেটি এখন আর দেখা যায়না। তবে দীর্ঘদিন পর দ্বিপাক্ষিক সিরিজে বিলাসবহুল গাড়ি যুক্ত হচ্ছে উপহার হিসেবে। আসন্ন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজে সেরা বাংলাদেশী ক্রিকেটারকে বিলাসবহুল ব্র‍্যান্ড চেরির একটি অত্যাধুনিক গাড়ি উপহার দেয়া হবে। বিসিবি ও চেরি ব্র‍্যান্ডের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল।

‎আগামী মাসেই ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসবে অস্ট্রেলিয়া। প্রায় দেড় দশক পর অজিদের বিপক্ষে সাদা বলের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সেই সিরিজের 'মোস্ট ভ্যালুয়েবল' বাংলাদেশী খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি হিসেবে দেয়া হবে এই গাড়ি। চেরির মত নামী ব্র‍্যান্ড বাংলাদেশের ক্রিকেটের সাথে যুক্ত হওয়াটাকে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখেন বিসিবি সভাপতি।

‎গত দুই বছরেরও কম সময়ে চারবার বদল এসেছে বিসিবির সভাপতির চেয়ারে। এই সময়টায় ক্রিকেটের চেয়ে মাঠের বাইরের ইস্যুতেই বেশি উত্তপ্ত ছিল দেশের ক্রিকেটাঙ্গন। যার কারণে দেশের ক্রিকেটের ভাবমূর্তিও পড়েছিল হুমকির মুখে। সেই সময় কাটিয়ে এসে ক্রিকেট বোর্ড ধীরে ধীরে তার ভাবমূর্তি ফিরে পাচ্ছে বলে বিশ্বাস তামিমের।

‎চেরি ব্র‍্যান্ডের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তামিম বলেন, 'গত দুই বছরে বিসিবির যে সম্মানহানি হয়েছিল, ওই জায়গা থেকে বের হয়ে এসে চেরির মতো ব্র্যান্ডগুলো আসা শুরু হয়েছে। বিসিবির জন্য এটা খুবই ইতিবাচক দিক। সবশেষ দেওয়া হয়েছিল আমরা যখন প্রথম টেস্ট জিতি সেই সিরিজে। আমার ভাই (নাফিস ইকবাল) পেয়েছিল। প্রায় ২০ বছরের বেশি। আবার চেরি এই উদ্যোগ নেওয়ায় ধন্যবাদ জানাই।'

মাঠের বাইরের নানান বিতর্ক কাটিয়ে মাঠের ক্রিকেট ধীরে ধীরে ফিরছে আলোচনায়। ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফি বৃদ্ধিসহ, বিসিবির কর্মচারীদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধির ইস্যুতে ইতিবাচকভাবে আলোচনায় আসছে ক্রিকেট বোর্ড।

‎এ প্রসঙ্গে তামিম বলেন, 'যত কম ক্রিকেটের বাইরের বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে, যত ভালো ভালো জিনিস বিসিবির সাথে জড়িত হবে, যত ক্রিকেটের বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে, ডেভেলপমেন্ট সেক্টর নিয়ে আমরা কথাবার্তা বলবো, বিসিবির ভাবমূর্তি এভাবেই আস্তে আস্তে ঠিক হবে।

‎‎অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির দায়িত্ব নিলেও তামিম জানেন তার দায়িত্ব। দেশের ক্রিকেটের উন্নতির জন্য কোনো কাজেই কমতি রাখতে চাননা বিসিবি সভাপতি। পুরো বোর্ড নিজেদের কাজ ঠিকঠাক করতে পারাতেই বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে বলে বিশ্বাস তামিমের।

‎এ প্রসঙ্গে তামিম আরও যোগ করেন, 'আমার দায়িত্ব হলো- বিসিবি কিভাবে করে সঠিকভাবে চলবে, বিসিবির উন্নতি কিভাবে করে হবে, ক্রিকেটারদের সুযোগ-সুবিধা আমি কিভাবে বাড়াতে পারি, বিসিবির আয় আমরা কিভাবে বাড়াতে পারি, কিভাবে আরও স্পন্সরদেরকে আকর্ষণ করতে পারি। তবে শুধু আমার জন্য না, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাথে তারা (চেরি) জড়িত হচ্ছেন। আমাকে বিসিবির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই দায়িত্বের মধ্যে পড়ে স্পন্সরের কাছে যাওয়া।'

আরো পড়ুন: