বৃষ্টির কারণে গাজী গ্রুপের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছিল ৩৪ ওভারে ১৯৪ রান। সেই লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ২৫ রান আসে মুনিম শাহরিয়ার ও নাইম আহমেদ। চতুর্থ ওভারে ১৪ বলে ২১ রান করে নাহিদুল ইসলামের কাছে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে আউট হন মুনিম। দলীয় ৭৩ রানে ২৯ রান করা নাইমকে ফেরান নাহিদুল। রুবেল মিয়াকে ফেরান লেগ স্পিনার বিপ্লব। সাত রান করা প্রিতম কুমারকেও আউট করেন এই লেগ স্পিনার।
পঞ্চম উইকেটে কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করেন গাজী গ্রুপ অধিনায়ক সালমান হোসেন ইমন ও সাব্বির হোসেন শিকদার। ২০ বলে ২৬ রান করেন ইমন, অন্যদিকে ৩০ বলে ৩৫ রানের ইনিংস খেলেন সাব্বির। শেষদিকে আকাশ ও অভিষেক খেলা কিছুটা জমিয়ে তুলেন। কিন্তু বিপ্লবের লেগ স্পিনে কেউই বেশিদূর আগাতে পারেননি।
১১ বল বাকি থাকতেই ১৮৩ রানে আলআউট জয় গাজী গ্রুপ। বৃষ্টি আইনে ১০ রানে ম্যাচ হারে তারা। বসুন্ধরার হয়ে বিপ্লব চারটি, নাহিদুল দুইটি এবং শহিদুল ইসলাম, রুয়েল মিয়া, সানজামুল ইসলাম ও জিয়াউর রহমান একটি করে উইকেট নেন।
এর আগে ক্রিকেটার্স একাডেমিতে টস জিতে বসুন্ধরাকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় গাজী গ্রুপ। উদ্বোধনী জুটিতে ৩৪ রান তোলেন দুই ওপেনার ইমরানুজ্জামান ও সাইফ হাসান। সপ্তম ওভারে এই জুটি ভাঙেন অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপজয়ী পেসার অভিষেক দাস অরণ্য। ব্যক্তিগত ১৭ রানে থার্ড ম্যান অঞ্চলে সালমানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাইফ।
দলীয় ৬০ রানে সাত রান করে মোহাম্মদ রুবেলের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন ফজলে রাব্বী। কিছুক্ষণ পর আলআমিন জুনিয়রও আট রানে অভিষেকের দ্বিতীয় শিকার হলে ৭৪ রানে তিন উইকেট হারায় বসুন্ধরা। অন্য প্রান্তে ক্যারিয়ারের সপ্তম অর্ধশতক তুলে নেন ইমরানুজ্জামান। ৭৭ বলে ১২টি চারে ৫৯ রান করে আজিজুল হাকিম লেগ বিফোর হয়েছেন আবু হায়দারের বলে। ইমরানুজ্জামান আউট হবার পর দ্রুত গতিতে রান তুলতে থাকেন বসুন্ধরা অধিনায়ক সোহান।
পাঁচ নম্বরে নেনে পাঁচ ছক্কা ও ছয়টি চারে ৭৩ রানের ইনিংস খেলেন এই উইকেট রক্ষক ব্যাটার। দলীয় ২০১ রানে লিওন ইসলামের বলে লং অন অঞ্চলে বাউন্ডারি লাইনে ইমন আলির ক্যাচে পরিণত হন তিনি। মাঝে শহিদুল ইসলাম (২৯) ছাড়া সোহানকে অন্যপ্রান্তে কেউ সঙ্গ দিতে না পারায় অল্পরানেই থামার শংকা তখন বসুন্ধরার সামনে।
কিন্তু শেষদিকে জিয়াউর রহমানের ২২ বলে ২৯ রানের ইনিংসে ২৩৫ রানে পৌঁছায় বসুন্ধরার ইনিংস।২১ বল বাকি থাকতেই অলআউট হয় তারা। গাজী গ্রুপের হয়ে লিয়ন, অভিষেক ও রনি দুইটি করে এবং মোহাম্মদ রুবেল, আরিদুল ইসলাম আকাশ ও রুবেল মিয়া একটি করে উইকেট নেন।