মিরাজের ঘূর্ণিতে বাংলাদেশের লিড

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজ
মেহেদী হাসান মিরাজের উইকেট উদযাপন, বিসিবি
মেহেদী হাসান মিরাজের উইকেট উদযাপন, বিসিবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
আজান আওয়াইসের সেঞ্চুরি এবং তিন ব্যাটারের হাফ সেঞ্চুরির পরও তাসকিন আহমেদ এবং মেহেদী হাসান মিরাজের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে পাকিস্তানকে ৩৮৬ রানে অল আউট করে বাংলাদেশ। ২৭ রানের লিড নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে করেছে বিনা উইকেটে ৭ রান। এখন পর্যন্ত ৩৪ রানের লিড আছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং নেমে অপরাজিত আছেন মাহমুদুল হাসান জয় এবং সাদমান ইসলাম। অতিরিক্ত খাতা থেকে আসে আরো পাঁচ রান। বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে নামার একটু পর আলোক সল্পতার কারণে ম্যাচ বন্ধ হয়। এর কিছুক্ষণ পর দিনের খেলার সমাপ্তি ঘোষণা করেন দুই আম্পায়ার।

এর আগে ৮৫ রান করে মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনই সেঞ্চুরির বন্দোবস্ত করে রেখেছিলেন আজান আওয়াইস। তৃতীয় দিনে কাঙ্খিত সেঞ্চুরি তুলে নেন এই ওপেনার। তার সেঞ্চুরির পাওয়ার পরের ওভারে ২০০ তোলে পাকিস্তান। একটু পরই হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন আরেক অভিষিক্ত ব্যাটার আব্দুল্লাহ ফজল। সেঞ্চুরির পর বেশীক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেননি আজান। তাসকিন আহমেদের শিকার হয়ে ফিরে যেতে হয় তাকে।

অভিষেক ম্যাচে আজান করেন ১৬৫ বলে ১০৩ রান তার বিদায়ে আব্দুল্লাহ ফজলের সঙ্গে তার ১০৪ রানের জুটিটি ভাঙে। এরপর শান মাসুদকেও বেশীক্ষণ উইকেটে স্থায়ী হতে দেননি তাসকিন। ১৭ বলে ৯ রান করে বিদায় নেন মাসুদ। এই ৩০ মিনিটে মোট ৪ উইকেট হারিয়েছে পাকিস্তান। তাসকিন দুটি উইকেট নেয়ার পর বাকি দুটি উইকেট নেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

রান না করা সাউদ শাকিলকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন মিরাজ। এরপর তার ফ্ল্যাট ডেলিভারিতে সামনে এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে মিড অনে ধরা পড়েন ফজল। ১২০ বলে ৬০ রান আসে তার ব্যাটে। ২৩০ রানে পাঁচ উইকেট হারায় পাকিস্তান।

পরের ওভারেই অবশ্য আরেকটি উইকেট আদায় করতে পারত বাংলাদেশ। তাসকিন আহমেদের লেংথ ডেলিভারিতে খোঁচা মেরে উইকেটরক্ষকের মুঠোয় ক্যাচ দিয়েছিলেন সালমান আলী আঘা। যদিও সেটি ছিল নো বল।

জীবন পেয়ে এর পুরোটাই কাজে লাগান সালমান। মোহাম্মদ রিজওয়ানের সঙ্গে তার জুটিতে স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ১১৯ রান। সাড়ে তিনশ'র এক রান আগেই এই জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। তার ফ্লাইট হয়ে আসা শর্ট ডেলিভারিটি মিড অফের উপর দিয়ে সীমানাছাড়া করতে গিয়ে ক্যাচ আউট হন মোহাম্মদ রিজওয়ান। ৭৯ বলে ৫৯ রান করে ফিরে যান এই উইকেটরক্ষক। এরপর বৃষ্টির কারণে ঘণ্টা দেড়েক খেলা বন্ধ ছিল।

বৃষ্টির পর পুনরায় খেলা শুরু হওয়ার পর বিশেষ সুবিধা করতে পারেননি সালমান আলী আঘা। নাহিদ রানার অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে প্রথম স্লিপে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। সহজ ক্যাচটি লুফে নেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ফেরার আগে ৯৪ বলে ৫৮ রান করেন সালমান। ৩৫৩ রানে সপ্তম উইকেট হারায় পাকিস্তান। শেষদিকে নোমান আলী এবং শাহীন শাহ আফ্রিদিকে ফিরিয়ে ১৪তম বারের মতো ফাইফার আদায় করেন মিরাজ।

আরো পড়ুন: