৪৯ বলে মোসাদ্দেকের সেঞ্চুরি, তবুও হারল আবাহনী

ডিপিএল
আবাহনীর ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া
আবাহনীর ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
১০ ছক্কার সঙ্গে ৬ চারে ৫০ বলে ১০১ রানের ইনিংস খেললেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে হাফ সেঞ্চুরি পাওয়া জিসান আলমের ব্যাট থেকে এলো ৪৪ বলে ৫৪ রান। তবে তাদের দুজনের দুর্দান্ত ব্যাটিং বিফলে গেল সিটি ক্লাবের বিপক্ষে। মেহেদী মারুফের ৭১ রানের ইনিংসের সঙ্গে তাহজিবুল ইসলাম, আনামুল হক ও আব্দুল গাফফার সাকলাইনের ক্যামিওতে ৮ বল বাকি থাকতেই ২ উইকেটের জয় তুলে নেয় সিটি ক্লাব। ঢাকা লেপার্ডসের পর সিটি ক্লাবের কাছেও হারল ডিপিএলের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

ক্রিকেটার্স একাডেমিতে রান তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি সিটি ক্লাবের। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ফেরেন সাদিকুর রহমান। ৪ বলে ৯ রান করে বোল্ড হয়েছেন সৈয়দ খালেদ আহমেদের বলে। তিনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি আব্দুল্লাহ আল মামুনও। ৭ রান করে আউট হয়েছেন মোসাদ্দেকের বলে। তবে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সিটি ক্লাবের রান বাড়াতে থাকেন মেহেদী মারুফ।

মিজানুর রহমানের সঙ্গে মেহেদীর ৪৩ রানের জুটি ভাঙেন এসএম মেহেরব। ১৯ বলে ১৩ রানের বেশি করতে পারেননি মিজানুর। দলের রান একশ হওয়ার আগে আউট হয়েছেন আহরার আমিন পিয়ানও। একটু পর ফিরে যান সাজ্জাদুল হক রিপন। ২২ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে সিটি ক্লাব। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে ৪৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন মেহেদী। হাফ সেঞ্চুরির পর দ্রুত রান তুলতে গিয়ে ফিরতে হয় তাকে।

স্পিনার মোসাদ্দেকের বলে বোল্ড হয়েছেন ৫৬ বলে ৭১ রানের ইনিংস খেলে। তিনটি ছক্কার সঙ্গে ৮টি চার মেরেছেন মেহেদী। ম্যাচ জিততে তখনো লম্বা পথ পার করতে হতো তাদের। সেই কাজটা করেছেন ২৮ বলে ৪০ রান করা তাহজিবুল, ৭ বলে ২২ রান করা আনামুল ও ১১ বলে ২৫ রান করা সাকলাইন। শেষ পর্যন্ত ২ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সিটি ক্লাব। আবাহনীর হয়ে মোসাদ্দেক তিনটি ও মেহেরব দুইটি উইকেট নিয়েছেন।

এর আগে ২৭ ওভারের ম্যাচে ৫ উইকেটে ২০৯ রানের পুঁজি পায় আবাহনী। বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের হয়ে সর্বোচ্চ ১০১ রানের ইনিংস খেলেছেন মোসাদ্দেক। সেঞ্চুরির পথে মাশরাফি বিন মুর্তজাকে ছাড়িয়ে গেছেন আবাহনীর অধিনায়ক। ২০১৬ সালে ফতুল্লায় কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের হয়ে ৫০ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন মাশরাফি। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ছিল সেটি।

২০২৩ সালে অবশ্য সেই রেকর্ড ভাঙেন হাবিবুর রহমান সোহান। বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) ওয়ানডে সংস্করণে নর্থ জোনের হয়ে ৪৯ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন ডানহাতি এই ব্যাটার। সোহানের সমান ৪৯ বলে সেঞ্চুরি করে রেকর্ডে ভাগ বসালেন মোসাদ্দেক। এ ছাড়া জিসান ৫৪, সৌম্য সরকার ১৪, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ২১ এবং আগের ম্যাচের হাফ সেঞ্চুরিয়ান সাব্বির রহমান ২ রান করেছেন। সিটি ক্লাবের হয়ে তিনটি উইকেট নিয়েছেন নিহাদ উজ জামান।

আরো পড়ুন: