আইন করে খেলোয়াড়দের রাজনীতিতে আসা বন্ধ করা উচিত: ফারুক

বাংলাদেশ ক্রিকেট
ফারুক আহমেদ
ফারুক আহমেদ
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
এক সময় অনেকেই শখের বসে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে বেছে নিতেন। তবে সময় বদলেছে। ক্রিকেটার ও ফুটবলাররা পাচ্ছেন মোটা অঙ্কের বেতন। তবে দেশের অন্যসব খেলাধুলায় এখনও অর্থনৈতিক সচ্ছলতা আসেনি। সেই সমস্যাই কাটিতে উঠতে খেলাধুলাকে একটি মর্যাদাপূর্ণ ‘পেশা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে জাতীয় ক্রীড়াবিদদের বেতন কাঠামোর আওতায় এনে ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড প্রদান কার্যক্রম হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জানা গেছে ক্রীড়াবিদরা মাসে পাবেন এক লাখ টাকা। এমন বেতন পেয়ে সবাই উচ্ছ্বসিত। বাংলাদেশ সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ। তিনি মনে করেন এখন যে কেউ ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে নিতে ভয় পাবে না।

ফারুক আহমেদ বলেছেন, 'আজকে শুরু করলে একটা ছেলে যে খেলবে, সে কিন্তু একটি বেতনভুক্ত হতে পারে একদম প্রথম থেকে, কোনো কিছু অর্জন করার আগেই। আর এটি যে তার জন্য কতটা একাগ্রতা বাড়াবে; যার সত্যিকারের প্রতিভা আছে তাদের আর চিন্তা করতে হবে না—আমার পরিবার কীভাবে চলবে, আমি কীভাবে চলবো, কোথায় যাবো, কী হবে। এই জিনিসটাই কিন্তু তার সামনে একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে আজকে।'

নিজের খেলোয়াড়ি জীবনের উদাহরণ টেনে ফারুক বলেন, 'আমি যখন ক্রিকেট খেলা শুরু করি, আমাদের সামনে কিন্তু খুব বেশি লক্ষ্য ছিল না। আমি বলছি ১৯৮২ সালের কথা। আমাদের তখন ইচ্ছা ছিল যে আমরা কোনো এক সময় হয়তো ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে পারবো। ৮৬-তে ওয়ানডে ম্যাচ পেলাম। তারপরে যখন বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা পেল, তখন কিন্তু এদের লক্ষ্য আলাদা ছিল—টেস্ট খেলোয়াড় হবে।'

এদিকে অনেক ক্রীড়াবিদই খেলোয়াড়ি জীবনেই রাজনীতিতে জড়িয়ে যান। এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি মুর্তজারা। ফারুক মনে করেন অনেকেই তারকাখ্যাতি কাজে লাগিয়ে রাজনীতিতে জড়িয়ে যান। যা আইন করে বন্ধ করা উচিত। এর আগে ক্রীড়াবিদদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও আহ্বান জানান তাদের পেশাদার জীবনে খেলোয়াড়দের রাজনীতিতে না আসারর।

এ প্রসঙ্গ টেনে ফারুক আহমেদ বলেন, 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কী বলেছেন উনি ওনারটা বলেছেন, কিন্তু আমি মনে করি তারকাখ্যাতিকে কাজে লাগিয়ে আমার মনে হয় রাজনীতি করা উচিত নয়। এটা একদম আইন করে বন্ধ করে দেওয়া উচিত আমার মনে হয়। উনি যেটা বলেছেন সেটার সাথে আমি একমত। আপনি খেলা ছাড়ার পরে রাজনীতিতে দুনিয়ায় অনেক উদাহরণ আছে। আপনি খেলা ছাড়বেন, এক সময় রাজনীতি করবেন।

আরো পড়ুন: