বিসিবি নির্বাচন জমজমাট হওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে সেটা নিয়ে নানান ধরনের বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নির্বাচনে সরকারে হস্তক্ষেপ হয়েছে এমন অভিযোগ এনে একসঙ্গে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছিলেন তামিম ইকবালসহ ১৬ জন। পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন আরও কয়েকজন। গত কয়েক মাস ধরে বিসিবির বর্তমান বোর্ড অবৈধ বলে আসছেন তামিমরা। কদিন আগে এনএসসিতে গিয়ে লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন।
ক্লাব সংগঠকের অভিযোগের পর ১১ মার্চ পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে এনএসসি। তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও খুব বেশি কাজ করার সুযোগ পাননি তারা। রমজান ও ঈদের ছুটির কারণে মাত্র ৬ কার্যদিবস কাজ করেছেন তারা। এই সময়ের মধ্যে বিসিবির বেশ কয়েকজন পরিচালকের সাক্ষাৎকার নিয়েছে তদন্ত কমিটি। যেখানে সবশেষ ২৯ মার্চ সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বিসিবি সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদের।
প্রতিবেদন তৈরি করার জন্য আরও ৯ কার্যদিবস সময় পাচ্ছেন তারা। এখনো তদন্তের অনেকটা বাকি থাকলেও নিজেদের কাজের অগ্রগতি নিয়ে খুশি এ টি এম সাইদুজ্জামান। সাবেক ক্রীড়া সাংবাদিক ও তদন্ত কমিটির সদস্যের বিশ্বাস, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রতিবেদন জমা দিতে পারবেন তারা।
এ প্রসঙ্গে সাইদুজ্জামান বলেন, ‘আমরা মাত্র ৬ কার্যদিবস অতিক্রম করেছি। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্দেশনা অনুযায়ী আরও ৯ কার্যদিবস বাকি আছে। এই ৬ কার্যদিবসে আমাদের কাজের যে অগ্রগতি তাতে আমরা প্রবলভাবে আশাবাদী যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমরা প্রতিবেদন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে পেশ করতে পারবো।’
স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গেই কথা বলবেন তারা। যার শুরুটা হয়েছে বিসিবির বর্তমান পরিচালকদের দিয়ে। এরপর অভিযোগকারী ক্লাব সংগঠকদের সাক্ষাৎকার নেবেন তারা। সবার কথা শোনার পাশাপাশি সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য, নথিপত্র ও দলিলাদি সংগ্রহ করার কাজও করছে তদন্ত কমিটি।
প্রতিবেদনে যাতে কোনো ধরনের অপূর্ণতা না থাকে সেটা নিশ্চিত করতে চান তারা। সাইদুজ্জামান বলেন, ‘বিসিবির ২০২৫ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সাক্ষাৎকার নিচ্ছি আমরা যেন প্রতিবেদনে কোন অপূর্ণতা না থাকে।’