এ ঘটনায় রাজধানীর রমনা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। জিডির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৪ মার্চ দুপুর ১২টার দিকে আসিফ আকবরের ব্যবসায়িক অনুরোধে একটি বড় অঙ্কের লেনদেন সম্পন্ন হয়।
আসিফ বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। সেখান থেকেই এই ঘটনার প্রেক্ষিতে কথা বলেছেন ক্রিকফ্রেঞ্জির সঙ্গে। তিনি বলেছেন, 'জিডি হতেই পারে এটা সাধারণ ব্যাপার। হ্যাঁ ব্যাপারটি আমি দেখেছি। আমি দেশে ফিরে এই ব্যাপারে বিস্তারিত দেখবো।'
অভিযোগকারী সালাহউদ্দিন ভূঞা জানান, ডা. কাজী মাজহারুল ইসলাম এবং পিজি হাসপাতালের অ্যানেস্থেসিয়া বিভাগের প্রধান ডা. শাকিল আহমেদের উপস্থিতিতে আসিফ আকবরকে মোট ২ কোটি ৯০ লাখ ৬৫ হাজার টাকা দেয়া হয়। এর একটি অংশ তার স্ত্রী সালমা আসিফের ডাচ বাংলা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হয় এবং বাকি অর্থ সরাসরি নগদে প্রদান করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, লেনদেনের পর আসিফ আকবর মাত্র ৩৯ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছেন। অবশিষ্ট ২ কোটি ৫১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা এখনও পরিশোধ করা হয়নি। পাওনা টাকা ফেরত চাইলে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন বলেও দাবি করেছেন অভিযোগকারী।
পাওনা অর্থ ফেরত পেতে বাধ্য হয়ে আইনি প্রক্রিয়ার আশ্রয় নিয়েছেন সালাহউদ্দিন ভূঞা। রমনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে করা এ আবেদনে ডিউটি অফিসার হিসেবে স্বাক্ষর করেছেন আবু হানিফ। ডায়েরি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এসআই প্রদীপ চন্দ্র রায় ও মোহাম্মদ রাহাত খানকে।