আফিফের পাশাপাশি বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে ফেরানো হয়েছে লিটন দাস, নাহিদ রানা ও শরিফুল ইসলামকে। সাম্প্রতিক সময়ে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে ছন্দে নেই লিটন। ২০২৪ সালে ভালো করতে না পারায় বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দল থেকে বাদ পড়েছিলেন ডানহাতি উইকেটকিপার ব্যাটার। গত বছর ফেরানো হলেও পারফর্ম করতে পারেননি। চোটের কারণে খেলতে পারেননি আফগানিস্তান এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে।
বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের হয়ে সবশেষ ৮ ইনিংসে দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি লিটন। চারবার আউট হয়েছেন রানের খাতা খোলার আগেই। তবে সবশেষ বিসিএলে পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস খেলেছেন লিটন। তবুও তাকে ওয়ানডে দলে ফিরিয়েছেন নির্বাচকরা। এক সিরিজ পরই ফিরেছেন নাহিদ। আরেক পেসার শরিফুল সবশেষ ওয়ানডে খেলেছেন ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।
সবশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ থেকে বাদ পড়েছেন ৬ ক্রিকেটার। ছন্দে না থাকা জাকের আলী অনিকের সঙ্গে আছেন শামীম হোসেন পাটোয়ারি, নুরুল হাসান সোহান, তানজিম হাসান সাকিব, হাসান মাহমুদ, নাসুম আহমেদ। তাদের ৬ জনের মধ্যে দুই পেসার হাসান ও তানজিম চোটে পড়েছেন। চোট থেকে সেরে উঠতে না পারায় তাদের দুজনকে পাকিস্তান সিরিজে বিবেচনা করা হয়নি বলে জানিয়েছে বিসিবি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে অভিষেক হওয়া মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন নিজের জায়গা ধরে রেখেছেন। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে ৯ মার্চ বাংলাদেশ সফরে আসবে পাকিস্তান। ১১, ১৩ এবং ১৫ মার্চ হবে সিরিজটি। সবগুলো ম্যাচই হবে মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। তিনটি ম্যাচই দুপুর নাগাদ শুরু হবে।
পাকিস্তান সিরিজে বাংলাদেশের ওয়ানডে স্কোয়াড— মেহেদী হাসান মিরাজ, সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, লিটন দাস, আফিফ হোসেন ধ্রুব, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, রিশাদ হোসেন, তানভির ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা।