শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জিতলেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠা হয়নি পাকিস্তানের। কদিন আগে প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, বিশ্বকাপের ফাইনালের পরদিন অর্থাৎ ৯ মার্চ বাংলাদেশ সফরে আসার কথা তাদের। ১০ মার্চ অনুশীলন করে ১১ মার্চ মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডে খেলবে দুই দল। একই ভেন্যুতে পরের দুই ম্যাচ হবে ১৩ ও ১৫ মার্চ।
সবকিছু ঠিক থাকলে শ্রীলঙ্কা থেকে দেশে ফেরার পর কয়েকদিন ছুটি কাটিয়ে ৯ মার্চ বাংলাদেশের বিমান ধরার কথা ছিল বাবরদের। তবে সেটা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কদিন আগেই পাকিস্তান–আফগানিস্তান সীমান্তে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। নতুন করে যুক্ত হয়েছে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। পুরনো উত্তেজনার জেরে ইরানে হামলা করেছে ইসরায়েল।
বিপরীতে কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা করেছে ইরান। এমন পরিস্থিতিতে বেশিরভাগ বিমানই উড্ডয়ন করছে না। পরিস্থিতি কবে নাগাদ শান্ত হবে সেটার নিশ্চয়তা নেই। যার ফলে পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা দুবাই হয়ে বাংলাদেশে আসতে পারবেন কিনা সেটা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
সূত্রের বরাত দিয়ে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও সুপার জানিয়েছে, চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনা সফরটিকে অনিশ্চিত করেছে তুলেছে। অভ্যন্তরীণ সূত্রের মতে বিদ্যমান পরিস্থিতি যদি ভ্রমণ ঝুঁকি বা নিরাপত্তার উদ্বেগ না বাড়ায় তাহলেই কেবল সিরিজটি হবে।
যদিও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন নাজমুল আবেদিন ফাহিম। বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, সূচি অনুযায়ী সিরিজটি আয়োজনে প্রস্তুত তারা।
এ প্রসঙ্গে ফাহিম বলেন, ‘যদি এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হয় যে তারা ভ্রমণ করতে পারবে না তাহলে আমরা কিছুই করতে পারব না। তবে এখনো পর্যন্ত আমরা পিসিবি থেকে কোনো চিঠি পাইনি।’