সেরা চারে যাবে বাংলাদেশ, বিশ্বাস রাখতে বলছেন মুশতাক

এশিয়া কাপ
মুশতাক আহমেদ, ক্রিকফ্রেঞ্জি
মুশতাক আহমেদ, ক্রিকফ্রেঞ্জি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এশিয়া কাপে গেলেও এখন সুপার ফোরে যাওয়াই কঠিন হয়ে গেছে বাংলাদেশের জন্য। গ্রুপ অব ডেথে থাকায় কাজটা এমনিতেই কঠিন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাজেভাবে হেরে যাওয়ায় নেট রান রেটের কারণে অনেকটা পিছিয়ে গেছেন লিটন দাসরা। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের ম্যাচ শেষ আফগানিস্তানের বিপক্ষে। পরিসংখ্যান এমনিতেই তাদের চেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ। আবুধাবির কন্ডিশন একেবারে হাতের তালুর মতো চেনা আফগানিস্তানের জন্য। কন্ডিশন বিবেচনাতেও এগিয়ে থাকবেন রশিদরা।

এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাটিতে এখন পর্যন্ত পূর্ণ সদস্যের দেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে জয় নেই বাংলাদেশের। ৮ ম্যাচের সবকটিতেই হেরেছেন তারা। এমন অবস্থায় শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে শুধু জিতলেই হবে না। আফগানদের হারানোর পাশাপাশি সমীকরণও মেলাতে হবে লিটন-তানজিদ হাসান তামিমদের। সেই সঙ্গে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আফগানিস্তান যাতে হারে সেই প্রার্থনাও করতে হবে। মুশতাক আহমেদের বিশ্বাস, এমন কঠিন অবস্থা থেকেও সেরা চারে উঠবে বাংলাদেশ।

ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচ বলেন, ‘হ্যাঁ, আপনাকে বিশ্বাস রাখতে হবে। কোচ এবং টিম ম্যানেজমেন্ট খেলোয়াড়দের এটাই বোঝানোর চেষ্টা করছি বিশ্বাস রাখাটা জরুরি। কোচিংয়ের দৃষ্টিকোণ থেকে আমি বিশ্বাস করি এবং আমাদের বিশ্বাস করতে হবে আমরা কোয়ালিফাই করতে পারি।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘অবশ্যই, যখন আপনাকে যদি কিন্তুর উপর নির্ভর করতে হয় তখন সেটা কঠিন। যদি কিন্তুর উপর নির্ভর করলেও আপনাকে পরের ম্যাচে মনোযোগ দিতে হবে এবং সবার আগে ম্যাচটা জিততে হবে। আপনি যখন মানসিকভাবে শক্তিশালী হবেন তখন আপনার বিশ্বাস থাকবে। আমি বিশ্বাস করি এমন কিছু হতে পারে।’

আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জটা হতে পারে তাদের স্পিন বিভাগ সামলানো। অধিনায়কের রশিদের সঙ্গে আছেন মোহাম্মদ গাজানফার ও নূর আহমেদ। এ ছাড়া স্কোয়াডে আছেন মুজিব উর রহমানও। তাদের সবাই প্রতিপক্ষের ব্যাটিং ইউনিটকে একাই গুঁড়িয়ে দেয়ার সামর্থ্য রাখেন। মুশতাকও স্বীকার করছেন সেটা। তবে বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচের চাওয়া, স্কোর বোর্ডে ভালো একটা স্কোর।

মুশতাক বলেন, ‘আমার মনে হয় স্পিন বিভাগ (চ্যালেঞ্জ)। তাদের স্পিন বিভাগটা খুবই ভালো। বিশেষ করে মাঝের ওভারগুলোতে। আমরা যদি মাঝের ওভারে কাউন্টার অ্যাটাক করতে পারি এবং বোর্ডের ভালো স্কোর দিতে পারি তাহলে আমার মনে হয় তাদের চ্যালেঞ্জ জানাতে পারব। কারণ আমাদের বোলিং বিভাগও খুব ভালো। এজন্য আমরা মাঝের ওভারটা নিয়ে ভাবছি।’