দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে রান তাড়ায় সুবিধা করতে পারেনি ইন্দোনেশিয়া। বাংলাদেশকে দারুণ শুরু এনে দেন মারুফা আক্তার। ডানহাতি পেসার দ্রুতই ফিরিয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার দুই ওপেনার মারিও কোরাজোন ও রামওয়াতিকে। সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি তারা। একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়তে থাকে নান্দা সাকারিনির দল।
ইন্দোনেশিয়াকে চেপে ধরেন বাংলাদেশের স্পিনাররা। একাই তিনটি উইকেট নিয়েছেন সহ-অধিনায়ক নাহিদা আক্তার। একটি করে উইকেট পেয়েছেন সানজিদা আক্তার মেঘলা ও ফাহিমা খাতুন। নারী এশিয়া কাপে অভিষেকটা ভালো হলো না ইন্দোনেশিয়ার। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাত্র ৫৮ রানে অল আউট হয়েছে তারা। একমাত্র ব্যাটার হিসেবে দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন মারিও।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। পুত্রী সুয়ানদেয়ীর স্লোয়ার ডেলিভারিতে কভারে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। ডানহাতি ওপেনার আউট হয়েছেন ৮ রানে। দ্বিতীয় উইকেটে জুটি গড়ে তোলেন সোবহানা ও দিলারা আক্তার। তারা দুজনে মিলে পাওয়ার প্লের বাকিটা সময় কাটিয়ে দিয়েছেন।
ভালো শুরু পেলেও দ্রুত রান তুলতে পারেননি দিলারা। চারটি চারে ৩১ বলে ২৭ রান করে বাংলাদেশের উইকেটকিপার ব্যাটার ফিরেছেন কাদেক আরিয়ানির বলে। চারে নেমে সুবিধা করতে পারেননি জ্যোতি। ১১ বলে ১০ রান করে আউট হয়েছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। সাবধানী ব্যাটিংয়ে দলকে এগিয়ে নিলেও হাফ সেঞ্চুরি পাওয়া হয়নি সোবহানার।
দুইটি চারের সঙ্গে একটি ছক্কায় ৪২ বলে ৪০ রানের ইনিংস খেলে ফিরতে হয় তাকে। দ্রুতই ফিরেছেন ফাহিমা, রিতু মনি ও রাবেয়া। তবে শেষের দিকে ক্যামিও ইনিংস খেলেছেন স্বর্ণা আক্তার। তিনটি চার ও একটি ছক্কায় ১৮ বলে অপরাজিত ৩১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ১২৯ রানের পায় বাংলাদেশের মেয়েরা। ইন্দোনেশিয়ার হয়ে আরিয়ানি তিনটি ও লু দেয়ী দুইটি উইকেট নিয়েছেন।