১৬০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাজ অনেকটাই সহজ করে দেন দুই ওপেনার সিমন্স ও ক্রিস গেইল। ৩২ বলে ৪২ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটার। ১৪ বলে ২ ছক্কায় ২২ রান করে গেইল আজমল শেহজাদের বলে বোল্ড হলে ভাঙে সেই জুটি। এরপর আর থামতে হয়নি ক্যারিবিয়ানদের।
ওয়ালটনকে সাথে নিয়ে ইংলিশ বোলারদের ওপর ঝড় চালান সিমন্স। পুরো ইনিংসে ইংলিশদের কোনো সুযোগই দেননি এই দুই ব্যাটার। মাত্র ৭০ বলে ১২৩ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন এই জুটি। সিমন্স ৫৩ বলে ৩ ছক্কা ও ৮ চারে ৭৭ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেন। অন্যদিকে তাকে যোগ্য সঙ্গ দেয়া ওয়ালটন করেন ৩৫ বলে ৪ ছক্কা ও ৩ চারে অপরাজিত ৫৮ রান। ১৮ বল আগেই ৯ উইকেটের সহজ জয় নিশ্চিত হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন্স। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ৭ রান করে শেল্ডন কর্টরেলের বলে বোল্ড হন জেসন রয়। ৩ বল পরে ফিরে যান ২ রান করা আরেক ওপেনার দাওয়িদ মালানও। ১১ রানেই ২ উইকেট হারায় ইংলিশরা।
বিপদ থেকে দলকে টেনে তোলেন রবি বপ্পারা ও মইন। ৪৪ রানের জুটি গড়ে বোপারা ১৬ রান করে ডোয়াইন ব্রাভোর শিকার হলেও অর্ধশতক তুলে নেন মইন। সমান ৪ টি করে চার ও ছক্কাউ ৩৯ বলে ৬০ রানের ইনিংস খেলেন এই বাঁহাতি। কিন্তু বোপারা আউট হবার পর অন্যপ্রান্তে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে ইংলিশরা। এক পর্যায়ে ৬১ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে প্রায় ছিটকে যায় তারা।
সেখান থেকে ইংলিশদের লড়াই করার মতো পুঁজি এনে দেন ওয়াইস শাহ। তার ২ ছক্কা ও ২ চারে ২৮ বলে অপরাজিত ৩৮ রানের ইনিংসে দেড়শ পার করে ইংল্যান্ড। ৭ উইকেটে ১৫৯ রানে থামে তারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ব্রাভো ৩ টি এবং ফিডেল এডওয়ার্ডস, কর্টরেল, রেইমন রিফার ও কার্লোস ব্রাথওয়েট একটি করে উইকেট নেন।