এর আগে সালমান আঘার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ভর করে ৩০৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। ৯০ বলে ১০ চার ও এক ছক্কায় ১০৭ রান করেন তিনি। এক দিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এটি তাঁর চতুর্থ সেঞ্চুরি। তবে দলের অন্য ব্যাটারদের কেউই অর্ধশতকের দেখা পাননি।
পাকিস্তানের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন বাবর আজম। এ ছাড়া সাদ বেগের ব্যাট থেকে আসে ৩৯ রান, হাসান নেওয়াজ করেন ৩৭। শেষ দিকে দ্রুত উইকেট হারানোয় বড় সংগ্রহের সম্ভাবনা থাকলেও ৩০৫ রানেই থামে পাকিস্তানের ইনিংস।
শেষ পাঁচ উইকেট হারাতে দলটি যোগ করতে পারে মাত্র ২৬ রান। শ্রীলঙ্কার পেসার ইশান মালিঙ্গা ৪৬ রান দিয়ে নেন চার উইকেট।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে শ্রীলঙ্কা। ৯১ রানের মধ্যে চার উইকেট হারিয়ে বড় ধাক্কা খায় তারা। তবে পবন রত্নায়েকে ও জানিত লিয়ানাগে পঞ্চম উইকেটে ১১৯ রানের জুটি গড়ে দলকে লড়াইয়ে ফেরান। তাদের ব্যাটিংয়ে একসময় জয়ের স্বপ্নও দেখতে শুরু করে শ্রীলঙ্কা।
রত্নায়েকে ৭৪ বলে ৭৯ রান করে ফিরলে ভাঙে গুরুত্বপূর্ণ এই জুটি। এরপর লিয়ানাগেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৭৪ বলে ৬০ রান করে দলীয় ২৫৩ রানে ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে আউট হন তিনি। এই জুটির বিচ্ছেদের পরই শ্রীলঙ্কার ইনিংসে ধস নামে। শেষ পাঁচ উইকেট হারিয়ে জয় থেকে ৩৭ রান দূরে থামে দলটি।
পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল শাহিন শাহ আফ্রিদি। ৫৫ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন তিনি। এ ছাড়া নাসিম শাহ, হারিস রউফ ও ফাহিম আশরাফ দুটি করে উইকেট শিকার করেন। শেষ দিকে পাকিস্তানের পেসারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়েই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় স্বাগতিকরা।
এই জয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভসূচনা করল পাকিস্তান। ব্যাট হাতে সালমান আঘার শতকের পর বল হাতে পেসারদের সম্মিলিত নৈপুণ্যে জয় নিশ্চিত হয় তাদের। সিরিজের পরবর্তী ম্যাচে ২০ অক্টোবর ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে পাকিস্তান।