আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে খেলতে গিয়ে বাম পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়েছিলেন আয়ুশ। সেই চোট সারাতে প্রায় তিন মাস বোর্ডের সেন্টার অব এক্সিলেন্সে কাটান তিনি। চোটের কারণে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বেও খেলতে পারেননি এই তরুণ ক্রিকেটার।
চোট কাটিয়ে মুম্বাইয়ের হয়ে রঞ্জি ট্রফিতে চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিলেন আয়ুশ। কিন্তু সোমবার ম্যাচ চলাকালীন ফের চোট পান তিনি। পরে তার স্ক্যান করানো হয় এবং বিশ্রামের পরামর্শ দেয়া হয়। প্রথম ইনিংসে ৪৮ রান করেছিলেন আয়ুশ। চোট পাওয়ার পর তার জায়গায় ফিল্ডিং করেন সুভেদ পারকর।
মুম্বাইয়ের অধিনায়ক সিদ্ধেশ লাড জানিয়েছেন, ব্যাট করার সময় রান নিতে গিয়ে চোট পেয়েছেন আয়ুশ। তিনি বলেন, 'মনে হচ্ছে কিছু দিন তাকে পাওয়া যাবে না। যে ভাবে খোঁড়াচ্ছিল, তাতে দ্বিতীয় বা তৃতীয় ম্যাচেও তাকে পাওয়া মুশকিল। রান নেয়ার জন্য দৌড়তে গিয়েই চোট পেয়েছে।'
এদিকে চোট সারিয়ে ফেরার পরেও ক্রিকেটারদের নতুন করে চোট পাওয়ার ঘটনায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সেন্টার অব এক্সিলেন্সের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অভিযোগ হচ্ছে চোটের যথাযথ মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় ঘাটতি থাকছে।
এর আগে হার্শিত রানা ও বরুণ চক্রবর্তীর মতো ক্রিকেটারদের চোট নিয়েও আলোচনা হয়েছে। আয়ুশের নতুন চোট সেই বিতর্ক আরও বাড়াল।