ফাইনালে আগে ব্যাট করে ২১১ রান করেছিল ভারত। এত বড় সংগ্রহের পরও পাকিস্তানকে সহজে হারাতে পারেনি তারা। শেষ পর্যন্ত ১৯ রানের ব্যবধানে জিততে হয়েছে ভারতকে। ফলে ম্যাচের লড়াই যে একতরফা ছিল না, স্যামসনের কথাতেই তা স্পষ্ট।
তিনি বলেন, 'কেউ থালায় সাজিয়ে স্বর্ণ এনে দেয়নি। আমাদের প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়েছে। ফাইনালে কঠিন লড়াই হয়েছে। সেই কারণেই এই জয় আরও বেশি আনন্দ দিয়েছে।'
এশিয়ান গেমসে ভারত অভিজ্ঞ দল নিয়ে গিয়েছিল। ফাইনালের মতো চাপের ম্যাচে সেই অভিজ্ঞতাই কাজে এসেছে বলে মনে করেন স্যামসন। তার ভাষায়, 'আমাদের দলে অনেক অভিজ্ঞ ক্রিকেটার ছিল। এই রকম ম্যাচেই তো অভিজ্ঞতা কাজে লাগে। আমরা সব সময় নিজেদের উজ্জীবিত করেছি। অনুপ্রাণিত করেছি। খেলা না থাকলেও অনুশীলনে সবটা দিয়েছি। তার ফল পেয়েছি।'
সেরা দল নিয়ে এশিয়ান গেমসে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও সন্তুষ্ট স্যামসন। পাকিস্তানের বিপক্ষে ফাইনালের লড়াইকে সামনে রেখে তিনি বলেন, 'সেরা দল নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত কাজে লেগেছে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ফাইনালে কী হয়েছে তা সকলেই দেখেছে। দারুণ ম্যাচ হয়েছে।'
পাকিস্তানের ব্যাটিংয়েরও প্রশংসা করেছেন ভারতের এই ব্যাটার। ২১১ রান করার পর এতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে, সেটি তারা ভাবেননি বলেও জানান স্যামসন। তিনি বলেন, 'একটা দারুণ ম্যাচ হয়েছে। আমরা প্রথম ইনিংসে ২০০ রান করেছি। ভেবেছিলাম, পাকিস্তানের ব্যাট করতে সমস্যা হবে। কিন্তু ওরা খুব ভাল ব্যাট করেছে। লড়াই করেছে। এ রকম ফাইনালই সকলে দেখতে চায়।'
অন্যদিকে ভারতের সোনাজয়ের পর মিঠুনের বক্তব্য ছিল পুরোপুরি ভিন্ন। বিসিসিআই সভাপতি বলেন, 'ভারত চির-প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারিয়েছে। আমি মনে করি পাকিস্তান এখন আমাদের প্রতিপক্ষই নয়। যে ভাবে আমাদের দল চাপ সামলাতে পারে, বিশ্বের অন্য কোনও দেশ তা পারে না।'