৭৫ রানের পর রিজওয়ানের ২ উইকেট, দ্বিতীয় দিনেই ম্যাচের লাগাম রংপুরের

এনসিএল
ক্রিকফ্রেঞ্জি
ক্রিকফ্রেঞ্জি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) নিজেদের প্রথম ম্যাচে প্রথম ইনিংসেই বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগ। তারা প্রথম ইনিংসে ৩১১ রান তুলেছে। তারা ৭ উইকেটে ২৭৩ রান করে প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছিল। হাফ সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে থেকে ৪৬ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন আবু হায়দার রনি আর ৬ রান নিয়ে ব্যাট করছিলেন রাকিবুল হাসান। রাকিবুল দ্বিতীয় দিনে নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি।

তিনি ফিরেছেন মাত্র ৯ রান করে। যদিও রনি হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন। তিনি ফিরেছেন ৭৭ বলে কার্যকরী ৫৮ রানের ইনিংস খেলে। শেষদিকে আজিজুল হাকিম রনি ১৫ রান করলেও লম্বা ইনিংস খেলতে পারেননি। ফলে ৩১১ রানেই থামতে হয়েছে ময়মনসিংহকে। সিলেটের বোলারদের মধ্যে ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন তোফায়েল আহমেদ, নাইম আহমেদ ও নাবিল সামাদ। একটি উইকেট নিয়েছেন অনিক দেব বর্মন।

জবাবে খেলতে নেমে ৫ উইকেটে ২৩৬ রান তুলে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে সিলেট বিভাগ। সিলেটের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। ওপেনিং জুটিতেই অধিনায়ক জাকির হাসান ও মুবিন আহমেদ মিলে যোগ করেন ৪০ রান। মুবিন ১৯ রান করে রিজান হোসেনের বলে বোল্ড হলে এই জুটি ভাঙে। এরপর আরেকটি ৬৯ রানের জুটি গড়েন জাকির ও সৈকত আলী।

জাকির হাফ সেঞ্চুরির পর ৬০ রান করে আউট হয়েছেন আসাদুল্লাহ হিল গালিবের বলে রনিকে ক্যাচ দিয়ে। সৈকত হাফ সেঞ্চুরি মিস করে ৪১ রান করে আউট হয়েছেন আজিজুলের শিকার হয়ে। অমিত হাসান ইনিংস বড় করতে পারেননি। তার ব্যাট থেকে এসেছে মাত্র ১৯ রান। তবে আসাদুল্লাহ আল গালিব ও আশরাফুল হাসান মিলে সিলেটের ইনিংস টেনেছেন শেষ বিকেলে।

আশরাফুল ২৩ রান করে ফিরেছেন আজিজুলের শিকার হয়ে। তবে আসাদুল্লাহ ৫৫ রান করে দিনের খেলা শেষ করেন, তোফায়েল অপরাজিত আছেন ১১ রান করে ৬৩ বলে। দিনের শেষদিকে আর কোনো বিপদ হতে দেননি এই দুই ব্যাটার।

এদিকে এনসিএলের আরেক ম্যাচে মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে রংপুর বিভাগের প্রথম ইনিংস থেমেছে ৩৪০ রানে। জবাবে দিন শেষে ৬ উইকেটে ১২০ রান করেছে ঢাকা। ব্যাট হাতে রংপুরের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন চৌধুরি মোহাম্মদ রিজওয়ান। ২৪২ মিনিট ক্রিজে থেকে ৭৫ রান করেন তিনি।

৬ উইকেটে ২২৯ রান নিয়ে দিন শুরু করা রংপুরকে টেনে নেন রিজওয়ান। আলাউদ্দিন বাবুর সঙ্গে আগের দিনের জুটি আরও ৬০ রান বাড়ান তিনি। ৩৭ রানে আলাউদ্দিন ফিরলে ভাঙে সেই জুটি। শেষ দিকে স্বাধীন ইসলামের সঙ্গে ৩২ রান যোগ করে রংপুরকে ৩৪০ রানে পৌঁছে দেন আবু হাশিম (২৭*)। এরপর বল হাতেও চমক দেখিয়েছেন রিজওয়ান। তিনি দুই উইকেট নিয়ে ঢাকাকে বিপাকে ফেলেন।

ঢাকার শুরুটাই হয় বিপর্যয় দিয়ে। ইনিংসের প্রথম বলেই অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে কিপারের হাতে ক্যাচ দেন নাঈম শেখ। এরপর ৭৪ রানে ৬ উইকেট হারায় ঢাকা। অভিজ্ঞ মার্শাল আইয়ুব ৩৪ রান করে আবু হাশিমের বাঁহাতি স্পিনে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দেন। তবে শেষ বিকেলে তাইবুর রহমান ও সুমন খান ৪৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দিন শেষ করেন।