ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসের ৩০তম ওভারে ঘটনাটির সূত্রপাত। নামান ধীরের বল কাট করতে গিয়ে রাদারফোর্ড ক্যাচ দেন উইকেটরক্ষক লোকেশ রাহুলকে। মাঠের আম্পায়ার আউট দেয়ার পর রিভিউর আবেদন করেন রাদারফোর্ড। রিপ্লে'তে বল ব্যাটের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় স্পাইক দেখা যায়।
সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার দায়িত্বে ছিলেন শরফুদ্দৌলা। রিপ্লে দেখে মাঠের আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই বহাল রাখেন তিনি। কিন্তু দৃশ্যটি নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। কারণ, বলটি ব্যাটের পাশাপাশি প্যাডেরও খুব কাছ দিয়ে যাওয়ায় স্পাইকটি ঠিক কোথা থেকে এসেছে, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। রাদারফোর্ডও সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি।
এ বিষয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক ক্রিকেটার ইয়ান বিশপ বলেন, 'রাদারফোর্ড মোটেও খুশি ছিলেন না। তার মনে হয়েছিল, ব্যাট বলের বদলে প্যাডে লেগেছিল। তৃতীয় আম্পায়ারের ব্যাখ্যাও ছিল, ব্যাট ও বলের মধ্যে কোনো ফাঁক তিনি দেখতে পাননি। এটা বেশ ইন্টারেস্টিং।'
রিপ্লের দৃশ্য নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। সাংবাদিক বিক্রান্ত গুপ্ত মনে করেন, বল ও ব্যাটের মাঝখানে ফাঁক স্পষ্ট ছিল। তার ভাষায়, 'রাদারফোর্ড আউট ছিলেন না। টেলিভিশন আম্পায়ার কীভাবে বল আর ব্যাটের এজের মধ্যে কোনো ফাঁক দেখেননি, তা আমি বুঝতে পারছি না। স্নিকোতে যে শব্দটি ধরা পড়েছিল, সেটি ছিল ব্যাট প্যাডে লাগার।'
রাদারফোর্ডের বিদায় নিয়ে বিতর্ক থাকলেও ম্যাচের ফল নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোনো আক্ষেপ নেই। ভারতের দেওয়া ৩৫২ রানের লক্ষ্য ৪৮.২ ওভারেই পাঁচ উইকেট হারিয়ে পেরিয়ে যায় তারা। বড় লক্ষ্য তাড়া করে পাওয়া এই জয়েই সিরিজে ধবলধোলাইয়ের শঙ্কা কাটে ক্যারিবীয়দের।
তবে প্রথম দুই ম্যাচে জয় পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত সিরিজ ভারতেরই। ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে শুভমান গিলের দল।