যদিও চার সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। এখনও ফোন ফেরত পাননি তিনি। এবার জানা গেছে এনসিসিআইএকে চিঠি দিয়েছেন রিজওয়ান, ফোন ফেরত পাওয়ার জন্য। পাশাপাশি লাহোর হাইকোর্টের সর্বশেষ নির্দশনা অনুযায়ী তদন্তে সহযোগীতার জন্য সংস্থাটিকে অনুরোধ করেছেন তিনি। চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন তদন্তের বিষয় বস্তু সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট অবগত নন তিনি।
ইংল্যান্ড সফরের মাঝেই এনসিসিআইএ কর্মকর্তাদের কাছে ফোনের পাসওয়ার্ড দিয়েছিলেন রিজওয়ান। তিনি ফোনের পাসওয়ার্ড দিতে বাধ্য ছিলেন না। তবে তিনি তদন্তে সহযোগীতার জন্য এগিয়ে এসেছিলেন। তিনি আশাবাদী ছিলেন দ্রুতই ফোন ফেরত পাবেন। এরপর এই তদন্তে এনসিসিআইএর এখতিয়ার নিয়েও আদালতে গিয়েছিলেন তিনি।
প্রায় দুই সপ্তাহ আগে এনসিসিআইএর এখতিয়ার নিয়ে করা রিজওয়ানের আবেদন খারিজ করে দেন লাহোর হাইকোর্ট। আদালত তাকে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেন। তবে একই সঙ্গে এনসিসিআইএকে রিজওয়ানকে ‘হয়রানি বা অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তির’ মধ্যে না ফেলার নির্দেশ দেয়া হয়।
আদালত আরও বলেন, রিজওয়ান চাইলে সংশ্লিষ্ট এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে গিয়ে তার কাছ থেকে নেয়া জিনিসপত্র, বিশেষ করে মোবাইল ফোন, ফেরত পাওয়ার আবেদন করতে পারবেন। আদালতের নির্দেশনার যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য এনসিসিআইএ এখনো তার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। ফোনটি ফেরত দেওয়ার বিষয়েও সংস্থাটি তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেনি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
রিজওয়ান মনে করেন, তদন্তে সহযোগিতার প্রমাণ হিসেবে তিনি স্বেচ্ছায় মোবাইল ফোন দিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্যও সরবরাহ করেছেন। এখন এনসিসিআইএরও একইভাবে সহযোগিতা করা উচিত। তাই ফোন ফেরত দেয়ার পাশাপাশি তদন্তের প্রকৃতি ও তার বিরুদ্ধে কোন বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে, সেটি স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।