আরব আমিরাত বাছাইপর্বে উঠলে খেলোয়াড়দের পাওয়া নিয়ে সমস্যা হতে পারে। সময়টি জানুয়ারিতে সরানোর অনুরোধ করলেও ব্যস্ত সূচির কারণে আইসিসি তা নাকচ করে দিয়েছে। এরই মধ্যে জানা গেছে ১ অক্টোবর দুবাইয়ে আইএল টি-টোয়েন্টির নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। ৪৪ জন মার্কি খেলোয়াড়ের ২২ জনই আরব আমিরাতের।
এর মধ্যে রয়েছেন মুহাম্মদ ওয়াসিম, জুনায়েদ সিদ্দিকী, মুহাম্মদ রোহিদ খান, আলিশান শারাফু ও হায়দার আলী। আরব আমিরাতের ওয়ার্ড ক্রিকেট লিগ-২ এ আট ম্যাচ বাকি। ডালাসে যুক্তরাষ্ট্র ও নামিবিয়া এবং পরে নেদারল্যান্ডস ও ওমানের বিপক্ষে সিরিজ খেলবে তারা। আইএল টি-টোয়েন্টির অন্তর্বর্তীকালিন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইক ফোর্ডহ্যাম জানিয়েছেন, জাতীয় দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটাররা আইএল টি-টোয়েন্টিতে খেলবেন।
আইএল টি-টোয়েন্টির নিলামে প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজির নিলামের জন্য থাকবে ১৩ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ। এর সঙ্গে সরাসরি চুক্তি ও খেলোয়াড় ধরে রাখার জন্য বরাদ্দ ৭ লাখ ডলারের অব্যবহৃত অর্থও যোগ হবে। নিলামে প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজিকে কমপক্ষে ১৫ লাখ এবং সর্বোচ্চ ২০ লাখ মার্কিন ডলার খরচ করতে হবে। তবে নিলামের পর যোগ করা যেতে পারে এমন একজন ওয়াইল্ডকার্ড খেলোয়াড়ের খরচ এই হিসাবের বাইরে থাকবে। প্রতিটি দলে খেলোয়াড় থাকতে হবে কমপক্ষে ১৮ জন ও সর্বোচ্চ ২৩ জন।
এর মধ্যে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশের অন্তত ১১ জন খেলোয়াড় থাকতে হবে। সেই ১১ জনের মধ্যে অন্তত চারজন হতে হবে আফগানিস্তানের এবং অন্তত একজন আয়ারল্যান্ডের। এ ছাড়া প্রতিটি দলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অন্তত চারজন, কুয়েতের একজন এবং সৌদি আরবের একজন খেলোয়াড় রাখা বাধ্যতামূলক।
এর পাশাপাশি আইসিসির সহযোগী সদস্য দেশের আরও অন্তত একজন খেলোয়াড় থাকতে হবে। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও সৌদি আরবকে এই হিসাবের বাইরে রাখা হয়েছে। নিলামে খেলোয়াড়দের ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বনিম্ন ১০ হাজার মার্কিন ডলার। এ ছাড়া ৪০ হাজার ও ৮০ হাজার মার্কিন ডলারের ভিত্তিমূল্যেও খেলোয়াড় থাকবেন। ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খেলোয়াড় নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, যা জুলাই থেকে শুরু হয়েছিল।