টেস্টের আগে ঘুম হারাম হতো রোহিতের, ভরসা ছিল ‘কমফোর্ট ফুড’

ভারতীয় ক্রিকেট
রোহিত শর্মা, ফাইল ছবি
রোহিত শর্মা, ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
টেস্ট ম্যাচের আগে রাতে ঘুম আসতো না রোহিত শর্মার! ভারতের সাবেক অধিনায়কের সবচেয়ে পছন্দের ফরম্যাটই ম্যাচের আগে তাকে সবচেয়ে বেশি নার্ভাস করে তুলত। দুশ্চিন্তায় সারা রাত জেগে থাকতেন, আর সেই সময় দুশ্চিন্তা দূর করতে বিশেষ এক খাবার খেতেন 'হিটম্যান' নামে খ্যাত এই ব্যাটার।

টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন এক বছরের বেশি সময় আগে। তবে লাল বলের ক্রিকেটের সেই দিনগুলোর চাপ এখনো ভুলতে পারেননি রোহিত শর্মা। একটি টেলিভিশন শোতে টেস্ট ম্যাচের আগে তার রাতজাগা, উদ্বেগ আর সেই সময় মায়ের বানানো কলার চিপসের ওপর ভরসা করার গল্প শোনান ভারতের সাবেক অধিনায়ক।

রোহিত বলেন, 'মিথ্যা বলব না, টেস্ট ম্যাচ খেললে ভেতরে অনেক নার্ভাসনেস কাজ করত। টেস্ট ছিল আমার সবচেয়ে পছন্দের ফরম্যাট, তাই এই ম্যাচগুলোর আগে আলাদা এক ধরনের চাপ অনুভব করতাম।'

টেস্ট ক্রিকেটের চ্যালেঞ্জই তার উদ্বেগের বড় কারণ ছিল বলে জানান রোহিত। ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টির তুলনায় পাঁচ দিনের ম্যাচে মানসিক প্রস্তুতির চাপ আলাদা ছিল। ম্যাচের আগের রাতে সেই চিন্তায় অনেক সময় পুরো রাত জেগেই কাটাতে হতো তাঁকে।

রোহিত বলেন, 'টেস্ট খেলা সহজ কোনো ফরম্যাট নয়। কোনো ফরম্যাটই সহজ নয়, তবে টেস্টের চ্যালেঞ্জ আলাদা। তাই টেস্টের আগে আমি সবসময় নার্ভাস থাকতাম এবং সেই নার্ভাসনেসে ঘুম আসত না। অনেক সময় রাত জেগেই থাকতে হতো।'

ঘুম না আসায় রাতের সময়টা কাটাতে খাবারকেই সঙ্গী বানিয়েছিলেন রোহিত। তবে সেটি কোনো দোকানের প্যাকেটজাত খাবার ছিল না। তার মা পূর্ণিমা শর্মা বিশেষ পদ্ধতিতে কলার চিপস তৈরি করে দিতেন। ভাজার বদলে সেগুলো বেক করা হতো, যাতে ম্যাচের সময়ও সহজে খেতে পারেন রোহিত।

রোহিত বলেন, 'জেগে থাকলে কিছু না কিছু খেতে ইচ্ছা করত। তাই সবসময় আমার সঙ্গে মায়ের বানানো কমফোর্ট ফুড রাখতাম। সেটা ছিল কলার চিপস। এটা ভাজা হতো না, মা নিজের বিশেষ পদ্ধতিতে বেক করে দিতেন। ইচ্ছা হলেই সেখান থেকে খেয়ে নিতাম।'

২০২৫ সালের মে মাসে টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানান রোহিত। ভারতের হয়ে ৬৭ টেস্টে ৪ হাজার ৩০১ রান, ১২ সেঞ্চুরি ও ১৮ ফিফটি নিয়ে শেষ করেন দীর্ঘ ফরম্যাটের ক্যারিয়ার। এখন তার আন্তর্জাতিক ব্যস্ততা মূলত ওয়ানডেতে।

আরো পড়ুন: