এনগারাভা পিঠের নিচের অংশের চোটের কারণে সম্প্রতি নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি ত্রিদেশীয় সিরিজেও খেলতে পারেননি। তার চোটের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় অস্ট্রেলিয়া সিরিজের পরের ব্যস্ত সূচিতেও তাকে পাওয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। তার অনুপস্থিতিতে জিম্বাবুয়ের পেস আক্রমণের নেতৃত্ব দেবেন ব্লেসিং মুজারাবানি। তার সঙ্গে থাকছেন ব্র্যাড ইভান্স ও নিউম্যান নিয়ামহুরি। অ্যাকিলিসের চোটে তানাকা চিভাঙ্গাও নেই।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে অভিজ্ঞ ব্রেন্ডন টেলরকে দলে ফেরানো হয়েছে। এক বছরের বেশি সময় পর ওয়ানডেতে ফিরছেন তিনি। সর্বশেষ ২০২৫ সালের আগস্টে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে খেলেছিলেন টেলর। এবার তাদিওয়ানাশে মারুমানির সঙ্গে উইকেটকিপিংয়ের দায়িত্ব ভাগ করবেন তিনি। তার ফেরায় ব্যাটিংয়ে জিম্বাবুয়ের অভিজ্ঞতা বাড়বে।
দলে ফিরেছেন লেগস্পিনার গ্রায়েম ক্রেমারও। ২০১৮ সালের পর প্রথমবার ওয়ানডে খেলবেন তিনি। চোট কাটিয়ে সম্প্রতি নামিবিয়ার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছেন ক্রেমার। তার অভিজ্ঞতা অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের বোলিং আক্রমণে বাড়তি বৈচিত্র্য দিতে পারে।
জিম্বাবুয়ের ব্যাটিংয়েও এবার নজর থাকবেন ব্রায়ান বেনেট, ক্রেইগ আরভিন ও টেলরের দিকে। সাম্প্রতিক সময়ে দলের ব্যাটিং অনেকটাই বেনেটনির্ভর ছিল। টেলর ও আরভিনের অভিজ্ঞতা সেই চাপ কিছুটা কমাতে পারে।
দুই দলের সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজ হয়েছিল ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়ায়। এবার ১২ বছর পর জিম্বাবুয়ের মাটিতে ওয়ানডে খেলতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। ১৫, ১৮ ও ২০ সেপ্টেম্বর হারারেতে হবে সিরিজের তিন ম্যাচ। ফলে ঘরের মাঠে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ্য দেখানোর সুযোগ পাচ্ছে জিম্বাবুয়ে।
জিম্বাবুয়ে স্কোয়াড: সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), বেন কারান, ব্লেসিং মুজারাবানি, ব্র্যাড ইভান্স, ব্রেন্ডন টেলর, ব্রায়ান বেনেট, ক্রেইগ আরভিন, আর্নেস্ট মাসুকু, গ্রায়েম ক্রেমার, ইনোসেন্ট কাইয়া, নিউম্যান নিয়ামহুরি, রায়ান বার্ল, তাদিওয়ানাশে মারুমানি, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও ওয়েসলি মাধেভেরে।