শনিবার রাতে ডার্বির ওই নাইটক্লাবের বাইরে কার্সকে হাতকড়া পরা অবস্থায় দেখা যায়। পরে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ঘটনার কয়েকটি ভিডিও। জানা গেছে, পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর অবশ্য তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। কাউন্টি প্রতিযোগিতায় ডারহামের জয় উদ্যাপন করতে সতীর্থদের সঙ্গে ওই নাইটক্লাবে গিয়েছিলেন কার্স।
সোমবার এক বিবৃতিতে ইংল্যান্ডের ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, ‘ক্রিকেট রেগুলেটর’কে ঘটনাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বোর্ড বলেছে, 'বিষয়টি তদন্তাধীন এবং পূর্ণাঙ্গ তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। তাই দ্বিতীয় টেস্টের দল থেকে ব্রাইডন কার্সকে বাদ দেয়া হয়েছে।'
কার্সের জায়গায় পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের দলে নেয়া হয়েছে সনি বেকারকে। ‘ক্রিকেট রেগুলেটর’ ইংল্যান্ডের ক্রিকেট বোর্ডের বাইরে স্বাধীনভাবে কাজ করা একটি সংস্থা। ক্রিকেট বোর্ডের নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ উঠলে তারা তদন্ত করে এবং দোষী প্রমাণিত হলে শাস্তির সুপারিশ করতে পারে।
কার্সের এই ঘটনায় আবারও প্রশ্নের মুখে পড়েছে ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারদের আচরণ। অধিনায়ক হওয়ার পর জো রুট ক্রিকেটারদের ওপর থাকা রাতের চলাফেরার বিধিনিষেধ তুলে দিয়েছিলেন। এরপরই একের পর এক নাইটক্লাবকেন্দ্রিক ঘটনায় ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারদের নাম জড়ানোয় সেই সিদ্ধান্ত নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।
এর আগে লর্ডসে নিউজিল্যান্ডকে হারানোর পর নাইটক্লাবে হাতাহাতির ঘটনায় জড়িয়েছিলেন বেন স্টোকস ও গাস অ্যাটকিনসন। সেই ঘটনার পর স্টোকসের অবসর নিয়েও নানা আলোচনা হয়েছিল। ইংল্যান্ডের ক্রিকেটে শৃঙ্খলা ও খেলোয়াড়দের আচরণ নিয়ে তখনও প্রশ্ন উঠেছিল। এবার সেই তালিকায় নতুন করে যুক্ত হল কার্সের নাম।