দিনের শুরুতেই অবশ্য ভারতকে ধাক্কা দেয় শ্রীলঙ্কা। দুই ওভারও পেরোয়নি, আসিথা ফার্নান্দো বাউন্সারে সরাংশ জৈনকে ফিরিয়ে দেন। এরপর আবার ব্যাটিংয়ে নামেন রিশাভ পান্ত। আগের দিন কবজিতে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেও দ্বিতীয় দিন ব্যাট করার জন্য ফিট ঘোষণা করা হয় তাকে।
ফিরেই নিজের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের জানান দেন ঋষভ পান্ত। ফার্নান্দোর বাউন্সার ফাইন লেগের ওপর দিয়ে উড়িয়ে ৯৫ মিটারের বিশাল ছক্কা হাঁকান তিনি। সেই ছক্কায় মাঠের একটি সৌর প্যানেলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে কেশারা নুয়ান্থার এক ওভারে টানা দুই বাউন্ডারি মেরে জুরেলকেও ছাড়িয়ে যান পান্ত।
দুজনই দ্রুত ফিফটি পূর্ণ করেন। মাত্র চার বলের ব্যবধানে পান্ত ও জুরেলের ফিফটি ভারতের স্কোর ৪০০ পার করে দেয়। লাঞ্চের আগে প্রভাত জয়াসুরিয়াকে টানা চার ও ছক্কা মেরে আরও চাপে ফেলে দেন পান্ত। তবে বিরতির পর প্রথম বলেই বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
পান্ত ফেরার পর জুরেলকে সঙ্গ দেন মানব সুতার। ৫০ বল টিকে থেকে শেষ পর্যন্ত জয়াসুরিয়ার বলে আউট হন সুতার। এরপর বৃষ্টির কারণে প্রায় দুই ঘণ্টা খেলা বন্ধ থাকে। বিরতির পর আবার ব্যাটিংয়ে নেমে নার্ভাস নাইন্টিজ পার করেন জুরেল। শেষ পর্যন্ত তিন অঙ্কে পৌঁছে যান তিনি। সেঞ্চুরির পর দুটি ছক্কা মেরে ভারতের স্কোর ৫০০ পার করান জুরেল, এরপরই ইনিংস ঘোষণা করে ভারত।
ব্যাটিংয়ে নেমে শ্রীলঙ্কার শুরুটাও ভালো হয়নি। ইনিংসের মাত্র দ্বিতীয় বলেই আবার বৃষ্টি নামে। পরে খেলা শুরু হলে ১৬ বলের মধ্যে দুই উইকেট হারায় স্বাগতিকেরা। প্রসিধ কৃষ্ণার বলে লাহিরু উদারার ব্যাটের বাইরের কানায় লাগা বল দারুণভাবে তৃতীয় স্লিপে তালুবন্দি করেন যশস্বী জয়সাওয়াল। এরপর সুতারের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন নাইটওয়াচম্যান জয়াসুরিয়া। ফলে দ্বিতীয় দিন শেষে বড় চাপে পড়ে শ্রীলঙ্কা।