বেন স্টোকস অবসরে যাওয়ার পর নতুন অধিনায়ক করা হয়েছে জো রুটকে। ইংল্যান্ড রুটের সঙ্গে ড্যান লরেন্সের স্পিন ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে ইংল্যান্ড। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে কোনো বিশেষজ্ঞ স্পিনার ছাড়াই নেমেছে ইংল্যান্ড। এদিকে ২০২৫-২৬ অ্যাশেজেও একই ধরনের একাদশ নিয়ে খেলেছিল ইংল্যান্ড।
সে সময় শোয়েব বশিরের বদলে উইল জ্যাকসকে দলে নেয়া হয়েছিল। মূল স্পিনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ব্যাটিং গভীরতা বাড়ানোর কাজও করেছিলেন জ্যাকস। স্টোকস না থাকায় চারজন বিশেষজ্ঞ পেসার খেলাতে গিয়ে বশিরকে একাদশের বাইরে রেখেছে ইংল্যান্ড। ফলে স্পিন নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসার ইঙ্গিত মিলেছে তাদের।
এ প্রসঙ্গে বুচার বলেন, ‘শোয়েব বশির ইংল্যান্ডের জন্য একটি প্রজেক্ট ছিলেন। যদিও সিরিজ জেতাটা বিনোদনের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠার পর সেই প্রজেক্ট বাতিল হয়েছে। সে ঠিক বা ভুল যেভাবেই হোক, দীর্ঘদিন ধরে ইংল্যান্ডের এক নম্বর পছন্দ ছিল।’
উইজডেন পডকাস্টে লিয়াম ডসনকে নিয়ে বেশ জোরালো আলোচনা হয়েছিল। এখন ইংল্যান্ডের হাতে থাকা সেরা স্পিনার হিসেবে তিনি আর বিবেচনায় নেই। অথচ তিনি মোটামুটি ভালো ব্যাট করতে পারেন, ফিল্ডিংও ভালো করেন। ইংল্যান্ডের স্পিন আক্রমণ নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন বুচার।
তিনি বলেন, ‘এখন আমরা জো রুট ও ড্যান লরেন্সকে স্পিন বোলার হিসেবে খেলাতে যাচ্ছি। আমি স্পষ্টভাবে বলছি, এটা ভুল। প্রমাণ হবে যে এটা ভুল এবং শেষ পর্যন্ত তাদের অন্য কোনো বিকল্প খুঁজতেই হবে। গত দুই মাসে আক্ষরিক অর্থেই আধা ফোঁটা বৃষ্টি হয়েছে। এমন একটি গ্রীষ্মে যদি কোনো বিশেষজ্ঞ স্পিনার বা স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার ইংল্যান্ডের একাদশে জায়গা না পান, তাহলে সত্যিই আমি হাল ছেড়ে দিচ্ছি।’