সিরিজের শেষ ম্যাচে ৯ বলে ১১ রান করেন তিলক। সাম্প্রতিক সময়ে মিডল অর্ডারে নেমে ধীরগতির ব্যাটিং এবং অতিরিক্ত ডট বল খেলার কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছেন ভারতের সহ-অধিনায়ক।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে তিলকের সমালোচনা করে শ্রীকান্ত বলেন, ‘আবারও তিলক ৯ বল নষ্ট করল। সে দীর্ঘ সময় দ্রুত খেলতে পারে না। ধারাবাহিকতা কোথায়? বলুন তো? ইংল্যান্ডে কী করেছে? মাঝে মধ্যে একটি ইনিংস খেললেই তো হবে না।’
এরপর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে দুইবারের আইপিএলজয়ী অধিনায়ক রজত পাতিদারের সঙ্গে তিলকের তুলনা টেনে তিনি বলেন, ‘রজত পাতিদারের সঙ্গে টিলকের কোনো তুলনাই হয় না। টি-টোয়েন্টিতে সত্যিকারের শক্ত ইনিংস দেখতে চাইলে পাতিদারকে সুযোগ দিন। ইয়াশ ঠাকুরের মতো অনেকেই সুযোগ পাচ্ছে, তাকেও সুযোগ দেওয়া উচিত।’
সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৫ বলে অপরাজিত ৬ রান করেছিলেন তিলক। দ্বিতীয় ম্যাচে অবশ্য ২৯ বলে ৬০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। তিন ম্যাচে ভারত জিতেছে যথাক্রমে ৭ উইকেটে, ৯০ রানে এবং ৩৫ রানে। শুধু তিলকই নন, ওপেনার অভিষেক শর্মার পারফরম্যান্স নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেছেন শ্রীকান্ত।
তার মতে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের দুর্বলতা এখন প্রতিপক্ষ দলগুলো বুঝে ফেলেছে এবং তাকে নিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় এসেছে। সবশেষ ১০ ইনিংসে অভিষেক করেছেন মাত্র ১৯১ রান। এর মধ্যে একটি মাত্র হাফ সেঞ্চুরি রয়েছে। সর্বশেষ চার ইনিংসেই তিনি দুই অঙ্কে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছেন।
তার সমালোচনা করে শ্রীকান্ত বলেন, ‘বিশ্বকাপ থেকেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক শর্মাকে প্রতিপক্ষরা বুঝে ফেলেছে। এখন ওকে নিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে আমার মনে হয়। আমার বিশ্বাস, সাঞ্জু আবারও সুযোগ পাবে। শতভাগ নিশ্চিত, ওকে দলে ফেরানো হবে। নির্বাচকদের কঠিন সিদ্ধান্ত নিতেই হবে।’