টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই অভিষেকের উইকেট হারায় ভারত। ব্লেসিং মুজারাবানির বলে রায়ান বার্লের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন বাঁহাতি ওপেনার। জিম্বাবুয়ে সফরে টানা দুই ম্যাচেই ব্যর্থ হয়েছেন অভিষেক। আগের ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরিতে বিশ্ব রেকর্ড গড়া সূর্যবংশী অবশ্য ভালো শুরু পেয়েছিলেন। তবে তিন চার ও এক ছক্কার পরই থামতে হয়েছে তাকে। রিচার্ড এনগারাভার শর্ট ডেলিভারিতে ছক্কা মারতে চেয়েছিলেন তিনি।
টাইমিংয়ে গড়বড় হওয়ায় ৯ বলে ২০ রান করে ফিরতে হয় ১৫ বছর বয়সী বাঁহাতি ওপেনারকে। ভালো শুরু পেয়ে ইনিংস বড় করতে পারেননি আইয়ার। ২০ বলে ২৫ রান করে আউট হয়েছেন স্পিনার ব্রায়ান বেনেটের বিপক্ষে। একশর আগেই তিন উইকেট হারিয়ে ফেলা ভারতের হয়ে ব্যাটিং ঝড় তোলেন ইশান ও তিলক। দুজনে মিলে দ্রুত রান তুলতে থাকেন। সাবধানী ব্যাটিংয়ে ৩১ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন ইশান। পঞ্চাশ ছোঁয়ার পর রান তোলার গতি আরও বাড়িয়ে দেন তিনি।
ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরির পথেও ছিলেন ইশান। তবে বাঁহাতি উইকেটকিপার ব্যাটারকে সেঞ্চুরি করতে দেননি নিউম্যান নিয়ামুরি। বাঁহাতি পেসারের বলে বেনেটের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ভারতীয় এই ব্যাটার। ৯ চার ও ২ ছক্কায় ৪৪ বলে ৮১ রানের ইনিংস খেলেছেন। ২৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পাওয়া তিলক শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ২৯ বলে ৬০ রান করে। তাদের দুজনের ব্যাটেই ২১৯ রানের বড় পুঁজি পায় ভারত।
রান তাড়ায় নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। বেনেট দ্রুত রান তুলতে চাইলেও ১৯ বলে ৩২ রানের বেশি করতে পারেননি। বাকিদের মধ্যে বার্ল ২০, তাদিওয়ানাশে মারুমানি ২৪ এবং ব্র্যাড ইভান্স ১৯ রান করেছেন। ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে পারেননি বেন কারান, ডিওন মেয়ার্স, সিকান্দার রাজা এবং ওয়েসলি মাধেভেরে। ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১২৯ রানেই থামতে হয় স্বাগতিকদের। ভারতের হয়ে অভিষেক তিনটি, ইয়াশ ও প্রিন্স নিয়েছেন দুইটি করে উইকেট।