বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৫৮ কোটি টাকা। কয়েক বছর ধরেই আর্থিক সংকটে থাকা সংস্থাটি আইসিসির সহায়তা চেয়ে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সাবেক ক্রিকেটাররাও প্রকাশ্যে মত দিয়েছেন।
২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের নিট লোকসান হয়েছে ২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৪৫ কোটি টাকা।
আগের অর্থবছরে সংস্থাটি ২ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ২৯৬ কোটি টাকা নিট মুনাফা করেছিল। ২০২৬ অর্থচক্রে আরও ২ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৩২০ কোটি টাকা লোকসানের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল।
সেই ঘাটতি পূরণে আইসিসির ঋণ এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণ সুবিধার কথা আর্থিক বিবরণীতেই উল্লেখ ছিল। এবার সেই ঋণ অনুমোদন দিয়েছে আইসিসি। এর আগে ২০১২ সালে তৎকালীন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড জিম্বাবুয়ের সঙ্গে আইসিসির বিশেষ আর্থিক সহায়তা পেয়েছিল।
পরে ২০২০ সালে কোভিড ১৯ মহামারির সময় ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের কাছ থেকে ৩০ লাখ মার্কিন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেই ঋণ পরে পরিশোধও করে দেয় ক্যারিবিয়ানরা।