দ্বিতীয় ওভারেই ফিল সল্ট ফিরে গেলেও দলকে বিপদে পড়তে দেননি বাটলার। শুরুতে ধীরগতিতে খেললেও পরে আক্রমণাত্মক রূপ নেন তিনি। ৫১ বলে শতক পূর্ণ করার পর শেষ পর্যন্ত ৬৪ বলে ১৩১ রান করে বিদায় নেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। তার ইনিংসে ছিল ১২টি চার ও আটটি ছক্কা। বিশ ওভারের এই সংস্করণে এটিই তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ, পাশাপাশি ভারতের বিপক্ষে কোনো ইংল্যান্ডের ব্যাটারেরও সর্বোচ্চ ইনিংস।
অধিনায়ক হ্যারি ব্রুকও শুরু থেকেই ছিলেন দারুণ ছন্দে। মাত্র ১৯ বলে অর্ধশতক তুলে নেয়া এই ব্যাটার শেষ পর্যন্ত ৪৫ বলে অপরাজিত ৯৫ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ৮টি ছক্কা। বাটলারের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ২৩৩ রানের জুটি গড়েন ব্রুক, যা দলের বিশাল সংগ্রহের ভিত্তি গড়ে দেয়।
২৫৮ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। ওপেনার অভিষেক শর্মা মাত্র ৩ রান করে ফিরলে কিছুটা আশা জাগান সঞ্জু স্যামসন। তিন ম্যাচ পর একাদশে সুযোগ পেয়ে ১৪ বলে ২৭ রান করেন তিনি। তবে দুই ওপেনারের বিদায়ের পর প্রয়োজনীয় গতিতে রান তুলতে পারেনি ভারত, ফলে শুরু থেকেই চাপে পড়ে সফরকারীরা।
এরপর ইশান কিশান ও শ্রেয়াস আইয়ার জুটি গড়ে ইনিংস এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। ইশান ৩৫ বলে ৫৬ রান এবং আইয়ার ১৬ বলে ২৮ রান করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে পারেননি। শেষ দিকে তিলক বর্মা ২৫ বলে ৫৩ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন। শিবম দুবে ১৪ রান করলেও মধ্য ও নিম্নক্রমের ব্যাটাররা বড় কোনো অবদান রাখতে না পারায় ২০ ওভারে ২০১ রানেই থামে ভারতের ইনিংস।
ভারতের বোলার ও ফিল্ডারদের হতাশাজনক পারফরম্যান্সও বড় ব্যবধানের হারের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ম্যাচজুড়ে পাঁচটি ক্যাচ হাতছাড়া করেন ভারতীয় ফিল্ডাররা। প্রিন্স যাদব চার ওভারে ৬০, অক্ষর প্যাটেল চার ওভারে ৬৩ এবং আর্শদীপ সিং চার ওভারে ৩৩ রান খরচ করেও কোনো উইকেট নিতে পারেননি। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা একটি উইকেট পেলেও ৩৮ রান দেন, আর শিবম দুবে দুই উইকেট নিলেও এক ওভারে ২২ রান খরচ করেন।