দিনের শুরুতে তিন উইকেটে ১২০ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামে নিউজিল্যান্ড। পরে ৯ উইকেটে ২৮৮ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে তারা। প্রথম ইনিংসের ৮৪ রানের এগিয়ে থাকার সুবিধা মিলিয়ে ইংল্যান্ডের সামনে ৩৭৩ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায় সফরকারীরা।
নিউজিল্যান্ডের বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন ড্যারিল মিচেল ও রাচিন রবীন্দ্র। রবীন্দ্র ৯৪ রান করে শতকের আক্ষেপ নিয়ে ফিরলেও মিচেল অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংস খেলেন। তিন বছরের বেশি সময় পর শতকের দেখা পাওয়া এই ব্যাটার লাল বলে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিজের চতুর্থ শতকও তুলে নেন।
চতুর্থ দিনের শুরুতেই মাঠের খেলার বাইরে আলোচনায় চলে আসে বেন স্টোকস। এই ম্যাচ দিয়েই তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর খবর নিশ্চিত হয়। সম্প্রতি নানা আলোচনা-সমালোচনার পর অধিনায়ক হিসেবে দলে ফিরে এই ম্যাচেই শেষবারের মতো মাঠে নামেন তিনি।
কঠিন লক্ষ্য তাড়ায় উদ্বোধনী জুটিতে ভালো শুরু পায় ইংল্যান্ড। স্টোকস শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। ইনিংসের শুরুতেই ছক্কা হাঁকিয়ে নতুন একটি নজিরও গড়েন তিনি। তবে ২০ বলে ৩০ রান করে তিনি বিদায় নিলে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা।
স্টোকসের বিদায়ের পর দ্রুতই ভেঙে পড়ে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং। জ্যাকব বেথেল রানের খাতা খুলতে পারেননি। হ্যারি ব্রুক ২১ ও বেন ডাকেট ৩৬ রান করলেও কেউ বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ফলে ১০৩ রানেই চার উইকেট হারিয়ে বসে স্বাগতিকরা।
দিনের খেলা শেষে জো রুট ও এমিলিও গে অপরাজিত আছেন। শেষ দিনে ইংল্যান্ডের জয়ের সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখতে হলে এই জুটিকেই বড় দায়িত্ব নিতে হবে। অন্যদিকে শুরুতেই কয়েকটি উইকেট তুলে নিতে পারলে সিরিজ নিজেদের করে নেয়ার পথে অনেকটাই এগিয়ে যাবে নিউজিল্যান্ড।