রান তাড়ায় শুরু থেকেই চাপে পড়ে ভারত। প্রথম ওভারেই দুই উদ্বোধনী ব্যাটার শূন্য রানে ফিরে যান। এরপর দ্রুত আরও দুটি উইকেট হারিয়ে প্রথম পাঁচ ওভারের মধ্যেই চার উইকেট হারায় সফরকারীরা। অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারও (১০) ব্যর্থ হন। এমন বিপর্যয়ের পর দলের হাল ধরেন তিলক ভার্মা।
তিলক ধৈর্যের সঙ্গে ইনিংস গড়ে অর্ধশতক পূর্ণ করেন। অক্ষর প্যাটেল (১৪) ও পরে শিভম দুবের সঙ্গে জুটি গড়ে ভারতকে লড়াইয়ে রাখার চেষ্টা করেন তিনি। তবে ১৬ বলে ২০ রান করে দুবে বিদায় নেয়ার পর তিলকও ফিরলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আবার আয়ারল্যান্ডের হাতে চলে যায়। ৪৬ বলে ৫৫ রান করেন তিলক।
শেষ দিকে হার্শিত রানা দ্রুত রান তুলে ম্যাচে রোমাঞ্চ ফেরান। শেষ ওভারে ভারতের প্রয়োজন ছিল ২০ রান। অতিরিক্ত রানসহ কয়েকটি সুযোগ কাজে লাগিয়ে সমীকরণ সহজ হলেও শেষ পর্যন্ত ১ রানের ব্যবধান ঘোচাতে পারেনি সফরকারীরা। শেষ বলে ছক্কা এলেও জয়ের জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। ১০ বলে ২১ রান করেন হার্শিত।
আয়ারল্যান্ডের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন জয় মুন্দ্রা। প্রথম ওভারেই দুই উদ্বোধনী ব্যাটারকে ফিরিয়ে ভারতকে বড় ধাক্কা দেন তিনি। পুরো ম্যাচে ৩২ রানে তিনটি উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা ও সিরিজসেরার পুরস্কার জেতেন তিনি। আরেক পেসার ম্যাট হলার্ডও ২৬ রানে তিনটি উইকেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ধাক্কা খেলেও ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ায় আয়ারল্যান্ড। প্রথম ১০ ওভারে ৫৮ রান তুললেও শেষ ১০ ওভারে যোগ করে ৯৬ রান। তিন নম্বরে নামা টিম টেক্টর ৫৩ রান করেন। বেন কালিটজ ৩৭ এবং জর্জ ডকরেল ১৯ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। তাদের ব্যাটেই স্বাগতিকরা ১৫৫ রানের সংগ্রহ গড়ে।
এই সিরিজে চোটের কারণে পাঁচজন নিয়মিত গতির বোলারকে পায়নি আয়ারল্যান্ড। তবু নতুন অধিনায়ক লরকান টাকারের নেতৃত্বে পূর্ণশক্তির ভারতকে হারিয়ে সিরিজ জয় করে তারা।