জানা গেছে, আগামী বছর পর্যন্ত গিলকে মূলত টেস্ট ও এক দিনের ক্রিকেটে মনোযোগ দিতে বলা হয়েছে। টেস্ট বিশ্বকাপ ও এক দিনের বিশ্বকাপকে সামনে রেখে তার জন্য আলাদা পরিকল্পনা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট কর্তৃপক্ষ। সেই কারণেই আপাতত বিশ ওভারের ক্রিকেট থেকে দূরে রাখা হচ্ছে এই ব্যাটারকে।
বোর্ডের একটি সূত্র সংবাদ সংস্থাকে বলেছে, 'অতিরিক্ত ক্রিকেটের চাপে গিল যাতে ক্লান্ত হয়ে না পড়ে, সেটাই মাথায় রেখেছেন নির্বাচকেরা। আগামী আঠারো মাসে এত বেশি ক্রিকেট রয়েছে যে একজন খেলোয়াড়ের পক্ষে তিন ধরনের ক্রিকেটে নিয়মিত খেলা খুব কঠিন।'
গত আইপিএলে ৭৩২ রান করলেও বিশ ওভারের দলে জায়গা পাননি গিল। দলে ইতোমধ্যে সাঞ্জু স্যামসন, অভিষেক শর্মা, ইশান কিশান ও বৈভব সূর্যবংশীর মতো ওপেনার থাকায় প্রতিযোগিতাও বেশ কঠিন। তবে শুধু জায়গার অভাব নয়, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও তার বাদ পড়ার অন্যতম কারণ বলে জানা গেছে।
ওই সূত্র আরও বলেছে, 'গিল নয়টি টেস্টে নেতৃত্ব দেবে। ২০২৭ সালের বিশ্বকাপের আগে অন্তত পঁয়ত্রিশটি এক দিনের ম্যাচও খেলবে। তাকে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেয়া হয়েছে, এই দুটি বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার জন্য সম্পূর্ণ ফিট থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।'
এ ছাড়া আগামী মৌসুমে নিজের ফ্র্যাঞ্চাইজি দলের হয়েও খেলবেন গিল। ফলে তার কাজের চাপ ও শারীরিক সক্ষমতার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। নির্বাচকেরা মনে করছেন, সব ধরনের ক্রিকেটে একসঙ্গে খেললে পারফরম্যান্সের ওপর প্রভাব পড়তে পারে।
তবে বিশ ওভারের বিশ্বমঞ্চের দরজা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি গিলের জন্য। সূত্রটির ভাষ্য, '২০২৮ সালের বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতার জন্য এখনও যথেষ্ট সময় আছে। দুই বছর পর কার ফর্ম বা শারীরিক অবস্থা কেমন থাকবে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। আপাতত ২০২৭ সাল পর্যন্ত এটাই পরিকল্পনা।'