নতুন নিয়ম অনুযায়ী, একাদশে আফগানিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের অন্তত দুজন করে ক্রিকেটার রাখতে হবে। এ ছাড়া সহযোগী দেশের একজন ক্রিকেটারকেও সুযোগ দিতে হবে। গত মাসে দলগুলোর কাছে পাঠানো ক্রিকেটার চুক্তি কাঠামোতে এসব নির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
নতুন নিয়মগুলো প্রকাশের পর ছয়টি দলই অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, এতে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী দল গঠন ও সেরা একাদশ বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা সীমিত হয়ে যাবে। এ নিয়ে তারা লিখিতভাবে কর্তৃপক্ষের কাছেও আপত্তি জানিয়েছে।
তবে দলগুলোর আপত্তি সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। আগামী ২২ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য পঞ্চম আসরে এসব নিয়ম কার্যকর করার পরিকল্পনাই ধরে রাখা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ভবিষ্যতে মানসম্পন্ন ক্রিকেটারের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতেই এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
দল গঠনের ক্ষেত্রেও বেশ কিছু নির্দিষ্ট শর্ত আরোপ করা হয়েছে। প্রতিটি দলে পূর্ণ সদস্য দেশের অন্তত ১১ জন ক্রিকেটার, সংযুক্ত আরব আমিরাতের চারজন ক্রিকেটার এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো থেকে নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রিকেটার রাখতে হবে। এসব শর্তকে বাধ্যতামূলক বিভাগ হিসেবে চিহ্নিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
মূলত অন্যান্য ঘরোয়া প্রতিযোগিতার সঙ্গে সময়সূচির সংঘাত এবং বিভিন্ন দেশের অনাপত্তিপত্র-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা থেকে এই সিদ্ধান্ত এসেছে বলে জানা গেছে। কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, ভবিষ্যতে আরও কিছু দেশ যদি তাদের ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণে সীমাবদ্ধতা আরোপ করে, তাহলে প্রতিযোগিতাটি বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারে।
তবে দলগুলোর আশঙ্কা ভিন্ন। তাদের মতে, বাধ্যতামূলক কোটা পূরণ করতে গিয়ে শীর্ষমানের ক্রিকেটারদের বদলে বিকল্প বেছে নিতে হতে পারে, যা প্রতিযোগিতার মানের ওপর প্রভাব ফেলবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে অন্য দেশগুলোর সঙ্গেও একই ধরনের চুক্তি হলে দল গঠনের স্বাধীনতা আরও সংকুচিত হওয়ার শঙ্কা দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।